২০ মিনিট ফ্লাইওভারে আটকে ছিলেন মোদি

84
২০ মিনিট
Social Share

পাঞ্জাবের বাতিন্ডায় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের কারণে ফ্লাইওভারে প্রায় ২০ মিনিট আটকে ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বুধবার এ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত পাঞ্জাবের বাতিন্ডায় অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়েই বিমানবন্দরে ফিরে যান মোদি। 

প্রধানমন্ত্রী বাতিন্ডায় যান হুসেইনিওয়ালার ন্যাশনাল ওয়্যার মেমোরিয়াল পরিদর্শনে। প্রথমে ঠিক ছিল তিনি বাতিন্ডা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে ওয়্যার মেমোরিয়ালে যাবেন। কিন্তু বৃষ্টির জন্য হেলিকপ্টার করে তা সম্ভব হয়নি। তাই তিনি প্রায় দু’ঘণ্টার রাস্তা সড়কপথেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো নিরাপত্তার বন্দোবস্তও করা হয় বলে দাবি করেছেন পাঞ্জাবের ডিজিপি।

নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার পরই সড়কপথেই মোদির সফরের অনুমতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু ন্যাশনাল ওয়্যার মেমোরিয়াল থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে হঠাৎ দেখা যায় একটি কৃষক সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন এবং রাস্তা বন্ধ। যার ফলে আটকে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। প্রায় মিনিট ২০ অপেক্ষা করার পর বাতিন্ডা বিমানবন্দরে ফিরে যান মোদি। তার সব অনুষ্ঠান বাতিল করতে হয়। 

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই কৃষক সংগঠনের সদস্যরা মোদির বিরুদ্ধেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তায় বড়সড় ঘাটতি দেখা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের দাবি, অনেক আগে থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি সম্পর্কে জানানো সত্ত্বেও পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকার নিরাপত্তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করেনি। নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথে যান নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার কথা ছিল পাঞ্জাব সরকারের। কিন্তু স্পষ্টতই পাঞ্জাব সরকার সেটা করেনি। ইতোমধ্যেই পাঞ্জাবের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

………………………………………………………………………………………..

নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার পরই সড়কপথেই মোদির সফরের অনুমতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু ন্যাশনাল ওয়্যার মেমোরিয়াল থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে হঠাৎ দেখা যায় একটি কৃষক সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন এবং রাস্তা বন্ধ। যার ফলে আটকে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। প্রায় মিনিট ২০ অপেক্ষা করার পর বাতিন্ডা বিমানবন্দরে ফিরে যান মোদি। তার সব অনুষ্ঠান বাতিল করতে হয়। 

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই কৃষক সংগঠনের সদস্যরা মোদির বিরুদ্ধেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তায় বড়সড় ঘাটতি দেখা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের দাবি, অনেক আগে থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি সম্পর্কে জানানো সত্ত্বেও পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকার নিরাপত্তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করেনি। নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথে যান নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার কথা ছিল পাঞ্জাব সরকারের। কিন্তু স্পষ্টতই পাঞ্জাব সরকার সেটা করেনি। ইতোমধ্যেই পাঞ্জাবের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।