হাঙ্গেরিতে চীনা বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা

93
Social Share

হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের মেয়র গের্জেলি কারাকসনির ইইউতে প্রথম চীনা বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ বন্ধের পরিকল্পনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য সরকারের লোকজন এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

সাংহাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি, যা বিশ্বের শীর্ষ ২০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পেয়েছে, ২০২৪ সালের মধ্যে ক্যাম্পাসটি চালু করতে চায়। এই পরিকল্পনার আওতায় ৮,০০০ শিক্ষার্থী দানিউবের তীরে একটি বিস্তৃত সুবিধায় বাস করবে এবং শিক্ষা গ্রহণ করবে।

জনকূটনীতি বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোলতান কোভাক্স আল জাজিরাকে বলেন, ক্যাম্পাস শিক্ষার মান বৃদ্ধি করবে এবং শিক্ষার্থীদের বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক জ্ঞান প্রদান করবে, যা হাঙ্গেরির অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

বুদাপেস্টের কর্ভিনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং চীন বিশেষজ্ঞ তামাস মাতুরা এ বিষয়ে একমত। তিনি বলেন, ‘একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের আগমন একটি সুসংবাদ। চীন একটি উন্নত, উচ্চ প্রযুক্তির দেশ তাই প্রকল্পটি হাঙ্গেরিকে এই শর্তে উৎসাহিত করবে।’

অন্যদিকে, সম্প্রতি মেয়র গের্জেলি ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ক্যাম্পাস নির্মাণের দক্ষিণপন্থী সরকারের পরিকল্পনা বন্ধ করার জন্য ‘সম্ভাব্য সকল আইনগত ও রাজনৈতিক উপায়’ ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

মাইকেল ইগনাটিফ একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির সভাপতি। তিনি ফুদানের আগমনকে ‘একাডেমিক স্বাধীনতার জন্য আরেকটি আঘাত’ বলে অভিহিত করেছেন।