স্বাধীনতা সড়ক নির্মিত হলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে : এলজিআরডিমন্ত্রী

45
Social Share

স্টার্ফ রিপোর্টার:  স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, মেহেরপুরের মুজিবনগরে স্বাধীনতা সড়কটি নির্মিত হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে এবং দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই সড়কটি নির্মিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্ধু প্রতীম দু’দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। পর্যটনের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে মেহেরপুরের মুজিবনগরে মহান স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নির্মিতব্য স্বাধীনতা সড়ক পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরো বলেন, মুজিবনগর-কোলকাতা স্বাধীনতা সড়কের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে স্বাধীনতা সড়কটি আগামী মার্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।

এরপর তাজুল ইসলাম জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স সহ স্মৃতি বিজড়িত স্থান সমুহ পরিদর্শন করেন এবং মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় যোগদান করেন। সভায় স্বাধীনতা সড়কের (মুজিবনগর-কোলকাতা) ওপর একটি প্রেজেনটেশন উপস্থাপন করা হয়।

বিকেলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী লালমনিরহাটে পৌঁছে তিন বিঘা করিডোর বিজিবি এবং বিএসএফের দেওয়া গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন।

গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে তিনি দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন,বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সকল এলাকায় সকল নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, তাঁর (প্রধানমন্ত্রী) নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশের মধ্যে পড়া সকল ছিটমহলে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল নির্মাণ সহ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে ছিটমহলের মানুষ যে অমানবিক কষ্ট করেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা অল্প সময়ের মধ্যেই লাঘব করে দিয়েছেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশিদ খান ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচ)’র প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান সহ অন্যান্য উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।