স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশে মোদির সফর অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ

48
Social Share

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজনে যোগ দিতে ঢাকা সফর করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২৫-২৬ মার্চ দুইদিন ব্যাপী মোদি বাংলাদেশ সফর করবেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশে এটি মোদির দ্বিতীয় সফর। এর আগে, ২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় মোদির সফরে ২২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর পর একই বছরের আগস্টে ভারতের বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়েছিল।

ইউরোপীয় ফাউন্ডেশন ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ (ইএফএসএএস) লিখেছে, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বাংলাদেশিদের কাছে অত্যন্ত আবেগময়। যা মোদির এই সফরকে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ১০ দিন ব্যাপী ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এরইমধ্যে বাংলাদেশে এসেছেন মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপালের রাষ্ট্রনেতারা। মোদির সফরকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমি খুবই খুশি এবং ভাগ্যবান যে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। এটা আমাদের কূটনৈতিক সাফল্য ও অর্জনের অনেক বড় উদাহরন। করোনার মধ্যে এটাই মোদির প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর।

মোমেন জোর দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক খুবই দৃঢ়। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধন দুই দেশের মানুষের মধ্যকার সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ভারত বাংলাদেশিদের “শারীরিক, মানসিকভাবে” সহায়তা করেছিল এবং যুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যরা তাদের রক্ত দিয়েছিল।

৪ মার্চ ঢাকা সফরের সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, আমরা বাংলাদেশকে শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ও সহযোগী দেশ হিসেবে বিবেচনা করি। নিরাপত্তা, বাণিজ্য, পরিবহন, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা আমাদের এ সম্পর্কের পরিসরকে আরও সম্প্রসারিত করার কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সূত্র: এএনআই