সৈয়দ আশরাফের নামে কলেজের নামকরণে মন্ত্রণালয়ের সম্মতি

38
সৈয়দ
Social Share

কিশোরগঞ্জ পৌর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর মহিলা কলেজ’ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জন প্রশাসনমন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নামে এমপিওভুক্ত কলেজটির নামকরণে সম্মতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে বিষয়টি জানিয়ে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার চিঠিটি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

গত ৬ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছেম ঢাকা বোর্ডর চেয়ারম্যানের সুপারিশে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পৌর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর মহিলা কলেজ নামে নামকরণে মন্ত্রণালয়ের সম্মতি জ্ঞাপন করা হলো

পৌর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর মহিলা কলেজ’ করতে গত নভেম্বর মাসে কলেজের তহবিলে ১৫ লক্ষ টাকা দান করেছেন তারই ছোট ভাই ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম। সরকারী বিধান অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠানের নাম কোন ব্যক্তির নামে করতে হলে সে প্রতিষ্ঠানের তহবিলে ১৫ লাখ টাকা জমা দিতে হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ সাদী গনমাধ্যমে বলেন, অনুপম রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আমাদের কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং তিনি জীবনে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব নেননি। ১৯৯৬ এর পরে তার কাছে এই কলেজের একাডেমিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নের যত আবদার করেছি, সবগুলো আবদার তিনি পূরণ করেছেন। তার সময়ে শিক্ষক কর্মচারীরা এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং কলেজে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে। তাই এ মহান নেতার নামে কলেজের নামকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। বর্তমানে তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন।

……………………………………………………………………………………………………

কলেজের অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ সাদী গনমাধ্যমে বলেন, অনুপম রাজনৈতিক চরিত্রের অধিকারী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আমাদের কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং তিনি জীবনে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব নেননি। ১৯৯৬ এর পরে তার কাছে এই কলেজের একাডেমিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নের যত আবদার করেছি, সবগুলো আবদার তিনি পূরণ করেছেন। তার সময়ে শিক্ষক কর্মচারীরা এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং কলেজে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে। তাই এ মহান নেতার নামে কলেজের নামকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। বর্তমানে তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন।