সেন্টমার্টিন গেলো পর্যটকবাহী জাহাজ সাড়ে সাত মাস পর

62
সেন্টমার্টিন
Social Share

সেন্টমার্টিন গেলো পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস বন্ধ থাকার পর ৩১০ যাত্রী নিয়ে  মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে পর্যটকবাহী জাহাজটি ছেড়ে যায়। বেলা ১২টার দিকে জাহাজটি দ্বীপে পৌঁছার কথা রয়েছে।

এর আগে, সোমবার (১৫ নভেম্বর) এ মৌসুমে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে পরীক্ষামূলকভাবে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমোদন দেয় প্রশাসন। সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করেছিল।

টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, সকালে কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন পর্যটকবাহী জাহাজে করে ৩১০ যাত্রী সেন্টমার্টিন দ্বীপে রওনা দিয়েছেন। অনুমতি নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ জাহাজটি চলাচল শুরু করেছে। এছাড়া পর্যটকদের উঠা-নামার সমস্যা যাতে না হয় সেজন্য দ্বীপে সংস্কার হওয়া জেটিতে ব্যবস্থা করা হয়েছে। দ্রুত এ রুটে আরও পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করার কথা রয়েছে।

সরেজিমনে দেখা যায়, টেকনাফ দমদমিয়া কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন পর্যটকবাহী জাহাজের জেটি ঘাটে টিকিটের জন্য ভিড় করেন ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। পর্যটকরা টেকনাফ পৌঁছার পথে সড়কের বেহাল অবস্থা তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান, শতাধিক পর্যটক টিকিট না পাওয়ায় দ্বীপে ভ্রমণে যেতে পারেননি।

জাহাজের যাত্রী ও ঢাকার আহাসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রিতম বলেন, করোনার কারণে তিন বছর পর সেন্টমার্টিনে ঘুরতে এসেছি, খুব আনন্দ লাগছে। দুই গ্রুপে আমাদের দলে ৬৫ জন সদস্য রয়েছেন। দ্বীপে আমরা চার দিনের ভ্রমণে নীল দিগন্তে উঠবো। কিন্তু আসার পথে টেকনাফের সড়কের অবস্থা খুবই বেহাল।

পর্যটকবাহী কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইনের টেকনাফের ব্যবস্থাপক শাহ আলম বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পাওয়ায় এবারে প্রথমদিনে ৩১০ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে যাত্রা করছি। সবকিছু ঠিক থাকলে বেলা ১২টার দিকে দ্বীপে পৌঁছে যাবে জাহাজটি। আশা করছি অন্য বছরের তুলনায় এ বছরে আরও বেশি পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণে আসবেন।

জাহাজের যাত্রী ও ঢাকার আহাসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রিতম বলেন, করোনার কারণে তিন বছর পর সেন্টমার্টিনে ঘুরতে এসেছি, খুব আনন্দ লাগছে। দুই গ্রুপে আমাদের দলে ৬৫ জন সদস্য রয়েছেন। দ্বীপে আমরা চার দিনের ভ্রমণে নীল দিগন্তে উঠবো। কিন্তু আসার পথে টেকনাফের সড়কের অবস্থা খুবই বেহাল।