সেতুটি ৪ বছরেও সংস্কার হয়নি ভোগান্তি ৬ গ্রামের মানুষের

35
Social Share

কাজল আর্য, স্টাফ রিপোর্টার: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার নোয়াই নদীর ওপর নির্মিত সেতু ভেঙে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ৬ গ্রামের মানুষ। শুস্ক মৌসুমে শুকিয়ে যাওয়া নদী দিয়ে বিকল্প রাস্তা বানিয়ে চলাচল করছেন গ্রামবাসীরা। তবে বর্ষায় এ রাস্তা ডুবে যায়। সেতুর উপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। গত ৪ বছর ধরে চলছে এ অবস্থা।
দেখা যায়, সেতুটির উত্তর পাশের মাটি সরে গিয়ে ভেঙে পানিতে পড়ে গেছে। দীর্ঘদিনেও সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় রেলিং ভেঙে গেছে। নোয়াই নদীর ওপরের সেতুটি দিয়ে বিহালী খামার, জাঙ্গালিয়া, সিংদাইর, কাশিনারা সহ ৬ গ্রামের মানুষের চলাচল।
গ্রামবাসী বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণের পর ছয় থেকে সাত বছর লোকজন পারাপার হয়েছেন। তারপর বন্যায় প্রথমে সেতুর উত্তর পাশের একটি অংশ দেবে গিয়েছিল। সেটা আর মেরামত করা হয়নি। পরের বছর বন্যায় সেতুটি নদীতে দেবে যায়। এরপর থেকে বর্ষায় এক বাঁশের সাকো আর শুকনা মৌসুমে চলাচলের জন্য নদী বুক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে গ্রামবাসী ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
কাশিনারা গ্রামের লোকজন বলেন, ‘সেতু ভেঙে যাওয়ায় আমাদের সমস্যার শেষ নেই। শত শত কৃষক তাঁদের ফসল বাজারে নিতে সমস্যায় পড়েন। বেশি ভাড়া দিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে করে কৃষিপণ্য বাজারে নিতে হয়। এই সেতু পার হয়ে ওই সব গ্রামের লোকজন পার্শ্ববর্তী দৌলতপুর উপজেলা শহরে যাতায়াত করতেন।
সিংদাইর গ্রামের আবদুল খালেক বলেন, গ্রামগুলোর ৩০০ থেকে ৪০০ শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। অনেক রাস্তা ঘুরে তাদের চলাচল করতে হয়। যানবাহন চলাচল না করায় অনেক সময় দীর্ঘ পথ হাঁটতে হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মুসলেম উদ্দিন জানান সেতুটি পূণনির্মাণ বা সংস্কারের জন্য আমি দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নাগরপুর উপজেলা কার্যালয়ে ঘোরাফেরা করছি। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত কোন সমাধান দিতে পারে নি।
নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সেতুটি অনেক আগেই ভেঙে গেছে। ভেঙে যাওয়া সেতুটি সংস্কারের সুযোগ নেই। অপসারনের পর নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হবে।