সুস্থ হয়ে জনতার কাতারে ফিরে আসুন প্রিয় নেতা মাঈনুল হাসান  চৌধুরী

Social Share

সাবেক সাংসদ সদস্য নবী নেপয়াজের ফেসবুক থেকে

   ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত একদফা-একদাবী অান্দোলনের সেই রাজপথে প্রতিদিনই মিছিল মিটিং এ অংশগ্রহণ করতে যেয়ে দেখেছি, কতনা নেতার সমারোহ! বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রতিদিনের গবেষণা অার নতুন নতুন সিদ্ধান্ত দেখেছি খুব কাছে থেকে। নেতৃত্বে চমক সৃষ্টি করাই হলো বঙ্গবন্ধুর কন্যার বৈশিষ্ট্য। ১৯৯২ সালে মঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীকে ছাত্রলীগের সভাপতি-ইকবালুর রহিমকে সাধারণ সম্পাদক  করে সারা বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের মধ্যে  চমক সৃষ্টি করেছিলেন। অাগের দিন বিকালেও ইকবালুর রহিমসহ অামরা অনেকেই (কয়েকদিন অাগে করোনায় অাক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করলেন সাবেক সাংসদ) মকবুল ভাই এর মোহাম্মদ পুরের বাসার সামনে অাড্ডা দিচ্ছিলাম। তখনও জানতামনা কি করবেন প্রিয় নেত্রী। আওয়ামী লীগ তখন বিরোধী দলের ভূমিকায়। ছাত্রদল অার পুলিশের তান্ডব। অাওয়ামী পরিবারকে ধ্বংস করার বিভিন্ন প্রকার নীল নকশা। ফ্রিডম পার্টি, শিবির, জঙ্গি বাহিনীকে লেলিয়ে দেওয়ার প্রবনতা দেখেছি। সেই তান্ডব নির্যাতন সহ্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে মঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীর বক্তব্য শুনবার জন্য ছেলেমেয়েরা করিডোরে এসে ভীড় জমাতো। সৃষ্টিশীল,বক্তব্য,ভদ্রতা,বাচনভঙ্গি, অামাদের মনে গেথে অাছে।
আমাদের সেই জনপ্রিয় ছাত্রনেতা যাকে প্রতিদিনই রাজপথের অান্দোলনের মধ্যদিয়ে অাপন করে নিয়েছিলাম, সে আজ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত! আল্লাহর নিকট প্রার্থনা  এই নিরেট ভদ্র,মার্জিত,পরোপকারী জননেতাকে সুস্থ করে জনতার মাঝে ফিরিয়ে দিন। সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করি। আমীন।