সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সংসদে শুরু হচ্ছে বিশেষ আলোচনা

66
সুবর্ণজয়ন্তী
Social Share

সুবর্ণজয়ন্তী – টানা পাঁচ দিন বিরতির পর আজ বুধবার আবারও বসছে জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন। অধিবেশনে বেলা ৩টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী র ওপর স্মারক বক্তৃতা দেবেন। এরপর কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ ধারায় সংসদে সাধারণ প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। সরকার ও বিরোধী দলীয় সদস্যদের দু’দিনের আলোচনা শেষে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। বর্ণাঢ্য ও যথাযথ মর্যাদায় সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের জন্য বছরব্যাপী জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদে দুইদিনের বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনায় সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা অংশ নিবেন।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংসদ অধিবেশনের প্রথম পাঁচ দিনে করোনা সতর্কতার কারণে সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হলেও এই দু’দিন সকল সদস্যকে অধিবেশনে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মুজিব জন্মশতবার্ষির্কীর ন্যায় সংসদের বিশেষ অধিবেশনের পরিকল্পনা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে তা পরিবর্তন করে বিশেষ আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে গত বছরের নভেম্বর মাসে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদের বিশেষ অধিবেশনে বসে।

টানা পাঁচ দিন বিরতির পর আজ বুধবার আবারও বসছে জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন। অধিবেশনে বেলা ৩টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ওপর স্মারক বক্তৃতা দেবেন। এরপর কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ ধারায় সংসদে সাধারণ প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। সরকার ও বিরোধী দলীয় সদস্যদের দু’দিনের আলোচনা শেষে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। বর্ণাঢ্য ও যথাযথ মর্যাদায় সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের জন্য বছরব্যাপী জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদে দুইদিনের বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনায় সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা অংশ নিবেন।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংসদ অধিবেশনের প্রথম পাঁচ দিনে করোনা সতর্কতার কারণে সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হলেও এই দু’দিন সকল সদস্যকে অধিবেশনে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মুজিব জন্মশতবার্ষির্কীর ন্যায় সংসদের বিশেষ অধিবেশনের পরিকল্পনা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে তা পরিবর্তন করে বিশেষ আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে গত বছরের নভেম্বর মাসে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদের বিশেষ অধিবেশনে বসে।