সুইডেন ও ফিনল্যান্ড হামলার শিকার হলে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করবে: বরিস জনসন

50
সুইডেন
Social Share

ফিনল্যান্ড ও সুইডেন উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিবে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের পর দেশ দুটির ন্যাটোতে যোগ দেওয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে দুই দেশেরই রাজনীতিবিদ ও জনগণের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড রাশিয়ার হামলার শিকার হলে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করবে। বুধবার সুইজার‌ল্যান্ড সফরকালে তিনি এ কথা বলেছেন।

ইতোমধ্যে তিনি সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। সংবাদ সম্মেলনের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে জনসন বলেছেন, ‘সুইডেন ও ফিনল্যান্ড উভয়ের প্রতি আমাদের সমর্থনে অবিচল ও দ্ব্যর্থহীন এবং এই নিরাপত্তা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর আমাদের জাতির মধ্যে চিরস্থায়ী আশ্বাসের প্রতীক।’

চুক্তির ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি আমাদের আরও গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করে নেওয়ার, সামরিক অনুশীলনকে শক্তিশালী করতে এবং প্রযুক্তির আরও যৌথ বিকাশের সুযোগ দেবে। এটি এমন একটি চুক্তি যা সুইডেন ও যুক্তরাজ্য উভয়েরই ধারণকৃত মূল্যবোধকে অন্তর্ভুক্ত করে।’

সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দিতে চাইলে যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন তার সবকিছুই যুক্তরাজ্য করবে বলে জানান তিনি।

……………………………………………………………………………………………………………

ফিনল্যান্ড ও সুইডেন উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিবে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের পর দেশ দুটির ন্যাটোতে যোগ দেওয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে দুই দেশেরই রাজনীতিবিদ ও জনগণের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড রাশিয়ার হামলার শিকার হলে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করবে। বুধবার সুইজার‌ল্যান্ড সফরকালে তিনি এ কথা বলেছেন।

ইতোমধ্যে তিনি সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। সংবাদ সম্মেলনের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে জনসন বলেছেন, ‘সুইডেন ও ফিনল্যান্ড উভয়ের প্রতি আমাদের সমর্থনে অবিচল ও দ্ব্যর্থহীন এবং এই নিরাপত্তা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর আমাদের জাতির মধ্যে চিরস্থায়ী আশ্বাসের প্রতীক।’

চুক্তির ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি আমাদের আরও গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করে নেওয়ার, সামরিক অনুশীলনকে শক্তিশালী করতে এবং প্রযুক্তির আরও যৌথ বিকাশের সুযোগ দেবে। এটি এমন একটি চুক্তি যা সুইডেন ও যুক্তরাজ্য উভয়েরই ধারণকৃত মূল্যবোধকে অন্তর্ভুক্ত করে।’

ন্যাটোতে যোগ দিতে চাইলে যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন তার সবকিছুই যুক্তরাজ্য করবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: রয়টার্স