কলকাতায় শেষ হলো বিএসএফ-বিজিবি সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন

65
সীমান্ত
Social Share

নিজ নিজ সীমান্ত এলাকায় উন্নয়নমূলক প্রকল্প নির্মাণের জন্য সহমত পোষণ করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কলকাতার নিকটে রাজারহাট-নিউটাউনে অবস্থিত বিএসএফ’এর দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের সদর দফতরে আয়োজিত চারদিনের বিএসএফ-বিজিবি সমন্বয় সম্মেলনে এ ব্যাপারে সম্মত হয় উভয় দেশের বাহিনী।

বিএসএফ’এর পক্ষে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘বৈঠকে সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো এবং উন্নয়নমূলক কাজ সম্পর্কিত বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ (সিবিএমপি) এর অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন-যার মধ্যে রয়েছে ‘একযোগে সমন্বিত টহল’ (এসসিপি), গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা এবং বাহিনীর সকল স্তরের মধ্যে নিয়মিত বৈঠকের আয়োজন করা।

এছাড়াও উভয় দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এই বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, মাদক চোরাচালান ইত্যাদির বিরুদ্ধে একটি কার্যকর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা আনতে সকল ক্ষেত্রে তথ্যের আদান-প্রদান এবং সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চোরাচালান বিরোধী অভিযান, একযোগে সমন্বিত টহল/যৌথ টহল, সীমান্ত বেড়া লঙ্ঘন, আন্তর্জাতিক সীমান্তের পবিত্রতা লঙ্ঘন রোধের ব্যবস্থা, অবৈধ চলাচল ইত্যাদি সহ কার্যকর সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে চারদিনের এই বৈঠকে।

বিএসএফ’পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য দুই বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার উন্নতি ঘটানো এবং উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থে সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যর সমাধান করা।

এই সম্মেলনে ১০ সদস্যের বিএসএফ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাহিনীর দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) অনুরাগ গর্গ (আইপিএস)। অন্যদিকে ১০ সদস্যের বিজিজি’র প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর সাদি। বৈঠক শেষে দুই পক্ষের তরফেই আলোচনার যৌথ রেকর্ডে স্বাক্ষর করা হয়। সবশেষে পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে এদিন বাংলাদেশে প্রবেশ করে বিজিবির প্রতিনিধি দলটি।

এই সম্মেলনে ১০ সদস্যের বিএসএফ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাহিনীর দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) অনুরাগ গর্গ (আইপিএস)। অন্যদিকে ১০ সদস্যের বিজিজি’র প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর সাদি। বৈঠক শেষে দুই পক্ষের তরফেই আলোচনার যৌথ রেকর্ডে স্বাক্ষর করা হয়। সবশেষে পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে এদিন বাংলাদেশে প্রবেশ করে বিজিবির প্রতিনিধি দলটি।