সাংষ্কৃতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করে নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম

41
Social Share

বিশেষ প্রতিনিধি: গিয়াস উদ্দিন সেলিম; নবীন লেখক, পরিচালক হিসেবে ইতোমধ্যেই সাংষ্কৃতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করে নিয়েছেন। একজন নবীন নাট্যকার হিসেবে তিনি যেমন উপহার দিয়েছেন মনে রাখার মতো স্মরণীয়, জনপ্রিয় নাটক, চলচ্চিত্র; তেমনি একজন নির্মাতা হিসেবে নির্মাণ করেছেন অসংখ্য সব স্মরণীয় নাটক ছবি। ছোটবেলা থেকে তিনি সাধারণের থেকে একটু আলাদা গোহের ছিলেন। তখন থেকেই ভাবনা ছিল এ ছেলে অন্য কিছুতে নাম রাখবে। হয়েছেও তাই। লেখক, পরিচালক হিসেবে এক নামে তাকে চেনা যায়। গিয়াস উদ্দিন সেলিম, পিতা আব্দুল ওয়াদুদ, মাতা সালেহা বেগম। ১৯৬৮ সালে ১ আগস্ট ফেনীতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা অর্থাৎ স্কুল, কলেজ জীবন তিনি সেখানেই কাটিয়েছেন। তারপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এমবিএস করেন। ১০ ভাই বোনের মধ্যে গিয়াস উদ্দিন সেলিম এর অবস্থান তৃতীয়। ফেনী সুবচন নাট্যদল, রাজশাহীতে অনুশীলন নাট্যদল এবং পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার রাজশাহী গঠন সহ ঢাকার দেশ নাটকের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
১৯৯৩ সালে তিনি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাথে জড়িত হন। নাট্যকার হিসেবে ‘দক্ষিণের ঘর’ দিয়ে ওক। তারপর আর থেমে থাকেননি তিনি। সেই থেকে একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্যÑ দক্ষিণের ঘর, পৌনঃপৌনিক, বিপ্রতীপ পাপপুণ্য, ভয়-সংশয়, হারানের নাত জামাই, মোহর, স্বপ্নযাত্রা, হাউজ ওয়াইফ, তেভাগা, ইন্টারভিউ, এনেছি সূর্যের হাসি প্রভৃতি।
তার উল্লেখ্যযোগ্য পরিচালনা সমূহ বিপ্রতীপ, পাপপুণ্য, ভয়-সংশয়, হারানের নাত জামাই, মোহর, স্বপ্নযাত্রা, হাউজ ওয়াইফ, তেভাগা, ইন্টারভিউ, এনেছি সূর্যের হাসি। চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার অনবদ্য সৃষ্টি। যেমন- তার কাহিনী ও সংলাপে আঁধিয়ার এবং মনপুরা নিজস্ব প্রডাকশন সৃষ্টি। এছাড়াও ছোটদের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘শরৎ একাত্ত’ নামে চলচ্চিত্র তিনি রচনা করেছেন। অবসরে তিনি বই পড়া, গান শোনা ও ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন।
এ শিল্পী ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ অর্জন করেছেন বিভিন্ন সেক্টর থেকে নামী-দামি পুরস্কার সমূহ ২০০১, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে মোট তিন বার মেরিল প্রথম আলো অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২০০৪, ২০০৫ সালে সিজেএফবি অ্যাওয়ার্ড, কিউট বিনোদন স্কীন অ্যাওয়ার্ড ২০০৪, শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও পরিচালক হিসেবে বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন ২০০৪ সালে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি থেকে শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার হিসেবে ২০০৩ পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৩ সালে শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার হিসেবে।
ভালো কাজ করে মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা নিয়ে আগামী দিনগুলোতে এগিয়ে যেতে চান।