সরকারি চাকরির শুন্যপদ তিন লাখ ৬৯ হাজার ৪৫১

Social Share

সরকারি চাকরির তিন লাখ ৬৯ হাজার ৪৫১টি পদ শুন্য আছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন। তিনি আরো জানিয়েছেন, আদালতে মামলা থাকায়, নিয়োগবিধি কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এবং পদোন্নতি যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় কিছু শুন্য পদ পূরণ করা যায় না।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। সরকারি দলের সংসদ বেনজীর আহমেদের লিখিত প্রশ্নের উত্তওে তিনি আরো জানান, বর্তমানে দেশের মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তরসহ সরকারী প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে শুন্য পদেও মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে (৯ম গ্রেড ও তদুর্ধ) শুন্য ৫৫হাজার ৩৮৯টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে (১০ম গ্রেড) শুন্য ৪৯ হিাজার ১৪২টি, তৃতীয় শ্রেণিতে (১১ থেকে ১৬ তম গ্রেড) শুন্য ১লাখ ৭৭ হাজার ৭৭৯টি চতুর্থ শ্রেণিতে (শুন্য ১৭ থেকে ২০ তম গ্রেড) ৮৭ হাজার ১৪১টি পদ শুন্য রয়েছে।

একই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারী অফিসসমুহে শুন্যপদে লোক নিয়োগ একটি চলমান প্রক্রিয়া। শুন্যপদ পূরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ৩৮তম বিসিএস’র মাধ্যমে দুই হাজার ২০৪ জন কর্মকর্তার নিয়োগ কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ চলমান। ৩৯তম বিসিএস’র মাধ্যমে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা ও রাষ্ট্রের জরুরি প্রয়োজনে নবসৃষ্ট সহকারী সার্জনের স্থায়ী ক্যাডার পদে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৪০তম বিসিএস-এর মাধ্যমে এক হাজার ৯০৩ জন জনবল নিয়োগ  করা হবে। যার লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ৪১তম বিসিএস’র মাধ্যমে দুই হাজার ১৬৬জন জনবল নিয়োগ করা হবে। এছাড়াও ৪২তম (বিশেষ) বিসিএস-এর মাধ্যমে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, সরকারি বিভিন্ন বিভাগ এবং এর অধীন সংস্থাসমূহের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে ১০-১২ গ্রেডের (পুর্বতন ২য় শ্রেণি) শুন্য পদে জনবল নিয়োগ করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ হতে ধারাবাহিকভাবে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের চাহিদার প্রেক্ষিতে নতুন পদ সৃষ্টিতে সম্মতি প্রদান ও শুন্যপদে নিয়োগে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রণালয় ও বিভাগ স্ব স্ব নিয়োগ বিধি অনুযায়ী উক্ত পদে জনবল নিয়োগের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে।

বিএনপি’র সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের লিখিত জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্তের বিষয়। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বর্তমানে ১৪৬ জন চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা আছেন বলে তিনি জানান।