সফল হাইপারসনিক উৎক্ষেপণ, শব্দের চেয়ে ৬ গুণ গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের আরও কাছে ভারত

Social Share

ভুবনেশ্বর: সোমবার হাইপারসোনিক টেকনোলজি ডেমোনস্ট্রেটার ভেহিক্যালের (HSTDV) সফল উৎক্ষেপণ করল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। এটাকে নয়া ‘মাইলফলক’ বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই যান উৎক্ষেপণরে মধ্যে দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চিনের পাশে জায়গা করে নিল ভারত। দূরপাল্লার মিসাইল বহনকারী এই যান উৎক্ষপেন নজির আর কোনও দেশের নেই।

দূরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র ও এরিয়াল প্ল্যাটফর্মের শক্তিশালী ভবিষ্যতের জন্যে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এই ভেহিক্যাল তৈরি করা হয়েছে। সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে সকল চাহিদা পূরণ করবে। যা দেশের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বড়সড় সাফল্য।

এদিন সকালে বালাসোরের এপিজে আব্দুল কালাম টেস্টিং রেঞ্জ থেকে অগ্নি মিসাইল বুস্টারের সহযোগিতায় এই যানটিকে উৎক্ষপণ করা হয়। অগ্নি থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে সফল ভাবেই স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন চালু করা সম্ভব হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তত ৬ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে এই প্রযুক্তি।

রাজনাথ সিং টুইটে বলেছেন, ডিআরডিও-এর গোটা টিমকে এই যুগান্তকারী সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাই। এই সাফল্যের মধ্যে দিয়েই প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারত গড়ার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলাম। এই অভাবনীয় কাজের সঙ্গে জড়িত সমস্ত বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানাই। ভারত তাঁদের জন্য গর্বিত।

উল্লেখ্য, প্রথমবার সাফল্য মেলেনি ভারতের। কিন্তু দ্বিতীয়বারে সাফল্য মিলল ভারতের। ডিআরডিও-এর তরফে বলা হয়েছে, অত্যন্ত জটিল প্রযুক্তি নির্ভর হাইপারসনিক টেকনোলজি ডেমোনেস্ট্রেটর ভেহিক্যালের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই হাইপারসনিক যানই বহন করবে হাইপারসনিক মিসাইল। যা আগামী পাঁচ বছর তৈরি করা হবে।