সন্ধ্যার ঝটপট নাস্তা

754
সন্ধ্যার নাস্তা
Social Share

সন্ধ্যার নাস্তা :

দুপুরে উদরপূর্তি করে খাওয়ার পর বিশ্রাম হোক বা না হোক, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে হতে না হতে আবার হালকা ক্ষুধাবোধ হয়ই। ভারি না হালকা খাবার খাবেন তা নিয়ে হয়তো চিন্তায় পড়ে যান আপনি। আমাদের প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে কাজ শেষে বাড়িতে ফেরা, পরিবারের সব সদস্যদের একসঙ্গে নিয়ে বসে আয়োজন করে নাস্তা করার চল অনেকটাই চলে গেছে। নাস্তার ফাঁকে ফাঁকে আড্ডা, অতিথি আপ্যায়নে নাস্তা– এ তো আনন্দের একটি বিষয়।

আমাদের এখন ব্যস্ত থাকতেই হয়। শিক্ষার্থীদের ক্লাস, টিউশন বা চাকরিজীবীদের অফিস শেষ করে ফিরতে ফিরতে অনেক সময়ে সন্ধ্যা পারও হয়ে যায়। কারণ নাগরিক ভিড়ভাট্টা পার করে নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি ফেরা মুশকিল। তারপরও বাড়িতে নাস্তা হবে না, তা তো নয়।

নাস্তার অন্যতম মূল অনুষঙ্গ চা বা কফি। তার সঙ্গে ভাজাপোড়া, স্ন্যাকস, মিষ্টি মিঠাই বা ঘরে বানানো বিভিন্ন আয়োজন রাখতে পারে। অনেকে আবার প্রতিদিনের নাস্তার যোগান নিয়ে ভাবেন। কারণ একঘেয়েমি নাস্তা হয়ে গেলে সেটা আর ভালো লাগে না। তাই বৈচিত্র্য আনুন সন্ধ্যার নাস্তায়। আর ঝটপটে দ্রুত রান্না হয়, এমন কোনো

সন্ধ্যায় সবার বাসায় ফেরার আগেই বানিয়ে ফেলুন হালকা পছন্দমতো নাস্তা। সবার রূচি, বয়সের বিষয়টিও মাথায় রাখবেন। বাইরে থেকে ক্লান্ত হয়ে ফিরলে তার জন্য স্বাস্থ্যকর, ক্লান্তি দূর করার কোনো আইটেম রাখুন। বিভিন্ন ফলের জুস, পাস্তা, নুডুলস, স্যান্ডউউচ, ফিরনি, সেমাই ঘরে বানিয়ে রাখতে পারেন। বাইরে থেকে ভাজাপোড়া বিভিন্ন আইটেমও রাখুন মাঝে মাঝে। আবার লুচি পরাটার সঙ্গে সবজি তরকারিও রাখতে পারেন। তবে অল্প পরিমাণে খাবেন। আবার রাতের খাবারও তো রয়েছে।

এখন তো বিভিন্ন নাস্তার রেডিমেড পাওয়া যায় যেমন সামুচা, নাগেটস, মিটবল ইত্যাদি। এগুলোর প্যাকেট কিনে ঘরে ভেজে নিলেই হয়ে গেলো। বিশেষ করে চাকরিজীবীদের এতে করে ঝামেলা কম হবে, সময়ও কম লাগবে। শিশুরাও এটা পছন্দ করে। আর শিশুদের জন্য আলাদা নাস্তা রাখা সম্ভব না হলে স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তা তৈরির চেষ্টা করবেন। শিশুরা চিকেনের আইটেম বেশি পছন্দ করে। তাদের জন্য বাসায় তৈরি খাবার বেশি উপযোগী। বাড়িতে বৃদ্ধ বা অসুস্থ লোক থাকলে তাদের কথা আলাদাভাবে মাথায় রাখতে হবে। তৈলাক্ত বাইরের ভাজাপোড়া খাবার থেকে তাদের দূরে রাখবেন।

ছুটির দিনগুলোতে সবকিছুর রুটিন একটু আলাদা থাকে। এদিন সন্ধ্যার নাস্তাটা পরিবার, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে একটু জমকালো করেই করুন। বাইরে কোথায় ঘুরতে গিয়ে খান, বাড়িতেও আলাদা আয়োজন করুন। আর অফিস শেষে চাইলে সহকর্মীদের সঙ্গেও মাঝেমাঝে সন্ধ্যার ভোজ সেরে নিতে পারেন।