সংখ্যালঘু পুনর্বাসনে চেষ্টার ত্রুটি নেই হাসিনা সরকারের, হাত মিলিয়েছে আওয়ামী লীগও

50
Social Share

সাম্প্রদায়িক অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না, কুমিল্লা-নোয়াখালির ঘটনার পর থেকেই বলে আসছে শেখ হাসিনার সরকার। শুধু মুখে বলা নয়, শক্ত হাতে সেই মতো কাজও চলছে ওপার বাংলায়। কুমিল্লার দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা তোলপাড় করে দিয়েছে গোটা বাংলাদেশ। অসংখ্য হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ঘরছাড়া। তাদের পুনর্বাসনে চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না হাসিনার প্রশাসন। এমনকী এ কাজে হাত লাগিয়েছে শাসক দল আওয়ামি লিগও।
সংখ্যালঘুদের প্রতি হিংসায় এ পর্যন্ত ১০২টি মামলা দায়ের হয়েছে যাতে অভিযুক্ত ২০,৬১৯ জন। ইতিমধ্যেই ৬৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকিদের জন্য রীতিমতো চিরুনি তল্লাশি চলছে।

৩৭টি জেলা এবং তিনটি মেট্রোপলিটন শহরে ১১৭ প্ল্যাটুন আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় একটা বিষয় সম্যক বুঝে নিয়েছে গোটা বাংলাদেশ, সাম্প্রদায়িক বাঁদরামি সহ্য করবে না হাসিনার সরকার।

এটা যদি প্রশাসনের ভাবমূর্তির এক পিঠ হয়, তবে অন্য পিঠ হল সহমর্মিতার।

ঘরছাড়া, উদভ্রান্ত সংখ্যালঘুদের ঘর তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও হাতে নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে। রংপুরের পিরগঞ্জে ৬১ পরিবারের হাতে ১০ হাজার টাকা করে তুলে দিয়েছেন ধর্মীয় বিষয়ক মন্ত্রী ফরিদুল হক খান। এই পিরগঞ্জেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল একদল দুষ্কৃতী। বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রকের তরফে ১০০ বান্ডিল টিনের চাল, ৪৪৫,০০০ টাকা এবং ১২০০টি খাবারের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী তথা আওয়ামি লিগের নেতা বিপ্লব বড়ুয়া জানান, তাঁর দলের তরফে নগদ অর্থ, খাবার, জামাকাপড় দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে। জানা গেছে, আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল কাদের খুব শিগগিরই ওই এলাকা পরিদর্শনে আসবেন। আজকাল