শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ : এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য

255
শিক্ষকের বিরুদ্ধে
Social Share

শিক্ষকের বিরুদ্ধে – নীলফামারী জেলা সদর উপজেলায় অবস্থিত লক্ষ্মীচাপ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। উক্ত বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক কমর উদ্দিন কর্তৃক অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
উক্ত ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর হাতে লাঞ্চিত হন লক্ষ্মীচাপ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারায় বাধ্য হয়ে প্রধান শিক্ষক অভিযুক্ত বিএসসি শিক্ষক কমর উদ্দিনকে ৬ মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করেন।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগে জানা যায়, লক্ষ্মীচাপ উচ্চ বিদ্যালয় চলাকালীন সময় গত মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিএসসি শিক্ষক কমর উদ্দিন অষ্টম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর শরীরে হাত দিয়ে তাকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরের দিন বুধবার(১১ মে) ওই নির্যাতিতা ছাত্রীর পিতা মাহবুবুর রহমান এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলামের কাছে লম্পট ও চরিত্রহীন বিএসসি শিক্ষক কমর উদ্দিন এর বিচার চায়।কিন্তু প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম লম্পট শিক্ষক কমর উদ্দিনের বিচার না করে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়ার ফলে তারা উত্তেজিত হয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে পুনরায় স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলামকে লাঞ্চিত করে।
অবশেষে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত ও বিদ্যালয়ের নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার অভিযোগে বিএসসি শিক্ষক কমর উদ্দিনকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানিয়েছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ এলাকাবাসী ভুল বুঝে আমার শার্টের কলার ধরে লাঞ্চিত করেছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিএসসি শিক্ষক কমর উদ্দিনের সাথে কথা বলার চেস্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি এমনকি তার মোবাইল বন্ধ থাকায় কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষক কমর উদ্দিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, এ ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবার থেকে থানায় কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।