শামি এর পাশে দাঁড়ানোয় কোহলির মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি!

97
শামি
Social Share

শামি – চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী দল ভারত। তবে বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের কাছে তারা হেরে যায় ১০ উইকেটের ব্যবধানে। বিশ্বমঞ্চে এটি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে তাদের প্রথম হার। আর এই হারের পর সমালোচিত হয়েছিলেন ভারতীয় পেসার মোহম্মদ শামি। তাকে পাকিস্তানে চলে যেতে বলেছিলেন অনেক ভারতীয় সমর্থক।

মূলত মুসলমান হওয়াতেই এমন ক্ষোভ দেখানো হয় তার প্রতি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে শামির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বেশ কড়া ভাষায়ই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। এবার তার জন্য বাজে মন্তব্য শুনতে হলো কোহলিকেই।

মেয়েকে দেওয়া হয়েছে ধর্ষণের হুমকি। দক্ষিণ ভারতীয় এক ব্যক্তির টুইটার থেকে এমন মন্তব্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম।
গত শনিবার সাংবাদ সম্মেলনে শামির সমালোচকদের কোহলি বলেছিলেন, ধর্ম নিয়ে কাউকে এ রকম আক্রমণ করা মানবিকতার সব থেকে নিচু স্তর।

এরপর গত ৩০ অক্টোবর রাতে আমেনা নামে এক টুইট ব্যবহারকারী কোহলির মেয়ে ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে একটি টুইট করে। কোহলি সমর্থকরা সঙ্গে সঙ্গে একযোগে সেই টুইটের প্রতিবাদ জানান। অনেকে বলতে থাকেন, এই টুইট পাকিস্তানের কোনও ব্যক্তির করা। কারণ সেই অ্যাকাউন্টে পাকিস্তানের জার্সি পরা এক মহিলা ক্রিকেটারের ছবি দেওয়া রয়েছে।

কিন্তু সোমবার ‘বুম’ নামে একটি ওয়েবসাইটের জানিয়েছেন, পাকিস্তানের কেউ নয়, টুইটকারী ওই ব্যক্তি ভারতীয়। তেলুগুভাষী দক্ষিণপন্থী কোনও ব্যক্তির করা এই টুইট সেটি, যে আগে অন্য একটি নাম ব্যবহার করে টুইট করত। কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য টুইটটি ডিলেট করেন ওই ব্যক্তি।

এরপর গত ৩০ অক্টোবর রাতে আমেনা নামে এক টুইট ব্যবহারকারী কোহলির মেয়ে ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে একটি টুইট করে। কোহলি সমর্থকরা সঙ্গে সঙ্গে একযোগে সেই টুইটের প্রতিবাদ জানান। অনেকে বলতে থাকেন, এই টুইট পাকিস্তানের কোনও ব্যক্তির করা। কারণ সেই অ্যাকাউন্টে পাকিস্তানের জার্সি পরা এক মহিলা ক্রিকেটারের ছবি দেওয়া রয়েছে।

কিন্তু সোমবার ‘বুম’ নামে একটি ওয়েবসাইটের জানিয়েছেন, পাকিস্তানের কেউ নয়, টুইটকারী ওই ব্যক্তি ভারতীয়। তেলুগুভাষী দক্ষিণপন্থী কোনও ব্যক্তির করা এই টুইট সেটি, যে আগে অন্য একটি নাম ব্যবহার করে টুইট করত। কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য টুইটটি ডিলেট করেন ওই ব্যক্তি। কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য টুইটটি ডিলেট করেন ওই ব্যক্তি।