শমী কায়সারের বিরুদ্ধে করা মামলা পিবিআই’তে

অভিনেত্রী ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) কার্যকরী পরিষদের সভাপতি শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলার অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ‘স্টুডেন্টস জার্নাল বিডি’-এর সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান।

আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান মামলার বাদী মিঞা মো. নুজহাতুল হাসানের নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান। ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ওইদিন মামলার বাদী প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আদালতকে জানান।

গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনের এক অনুষ্ঠানে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল ফোনসেট খোয়া যায়। এ ঘটনায় মিলনায়তনের দরজা বন্ধ করে সাংবাদিকদের আটকে রাখা হয়। এরপর একাধিক সাংবাদিকের ব্যাগ তল্লাশি করেন শমী কায়সারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানেরই এক কর্মী শমী কায়সারের মোবাইল ফোনসেট দুটি নিয়ে গেছেন। তখন শমী কায়সার দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর আচরণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হয়।

মামলায় বাদী বলেন, শমী কায়সারের আচরণ সাংবাদিক সমাজকে হেয় করেছে। একই সঙ্গে বাদীর ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলেও মামলায় বলা হয়েছে।