রেলে ৩৫% যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে

উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও ট্রেন আরো গতিশীল হবে। ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয় রোধ করাটা কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে একের পর এক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তা মোকাবেলা করা হচ্ছে। আর চলতি মুজিববর্ষেই যমুনা নদীর ওপর পৃথক রেল সেতুর কাজ শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে সেদিনই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এরই মধ্যে প্রকল্পে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন গতকাল মঙ্গলবার এসব কথা বলেন। মন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় আগে থেকে চিত্র ধারণ করে গতকাল বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠানটি ফেসবুক পেজে সম্প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী বলেন, ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয় রোধ ও ট্রেন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন স্থাপন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। টঙ্গী-জয়দেবপুর, জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী, জয়দেবপুর-জামালপুরসহ বিভিন্ন রুটে লাইনের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এরপর এসব রুটে ট্রেনও বাড়ানো হবে। রেলপথে ৩৫ শতাংশ যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা তৈরির কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেল যোগাযোগ নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছিল স্বাধীনতার আগে থেকেই। মুক্তিযুদ্ধের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এসব অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করে রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর পরবর্তী সরকারগুলো সড়ক খাতের পাশাপাশি রেলের উন্নয়ন করেনি।