রুশ টিকা ‘স্পুটনিক-৫’ দেশে উৎপাদন হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

40
Social Share

রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুটনিক ফাইভ উৎপাদন হবে বাংলাদেশে। মস্কো ও ঢাকা এ বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এ ছাড়া, ভ্যাকসিন পেতে চীনের সঙ্গেও আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে এ কথা জানান তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে টিকা উৎপাদন করতে রাশিয়ার প্রস্তাবে আমরা একমত হয়েছি। কারণ আমরা সেটা তৃতীয় দেশেও বিক্রি করতে পারব।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ভারত থেকে উপহার পাওয়া বিশ লাখ ডোজের মাধ্যমে করোনা ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ। এর চারদিন পর ২৫ জানুয়ারি সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা বাংলাদেশের প্রথম টিকা আনে বেক্সিমকো ফার্মা।

এরপর সফলভাবে চলে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব মতে, গত মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫ জন প্রথম ডোজের করোনা টিকা নিয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ১৮৯ জনকে। আর এখনও মজুত আছে ২৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭২৬ ভ্যাকসিন।

এদিকে, ভারতে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে বিশ্বের সবচে বড় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম জানিয়ে দিয়েছে আগামী তিন মাসের মধ্যে টিকা রফতানির সম্ভাবনা নেই। আর এতেই দেশের টিকা কার্যক্রম শঙ্কায় পড়ে যায়। বিভিন্ন মাধ্যমে আসতে থাকে নানা তথ্য।

এ অবস্থায় ভ্যাকসিন সরবরাহ কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। জানালেন, রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুটনিক ফাইভ দেশেই উৎপাদনের জন্য মস্কো-ঢাকা সম্মত হয়েছে। চলছে চীনা ভ্যাকসিন আনার আলাপ-আলোচনাও।

এছাড়া ভারতের সেরাম থেকে বেসরকারিভাবে ভ্যাকসিন আনতে কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এদিকে, ভারতে নিজেদের ভ্যাকসিন সংকট থাকলেও বাংলাদেশে সরবরাহ বন্ধ থাকবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। দুই দেশে সম্পর্কের কারণেই এই সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।