রাজ্যে টিকা চলে আসতে পারে কাল, মোদী-মমতাদের মধ্যে আলোচনা

20
Social Share

আগামী কাল, মঙ্গলবার রাজ্যে পৌঁছে যেতে পারে করোনার টিকা। তেমন সম্ভাবনাই জোরালো হচ্ছে। দেশ জুড়ে ১৬ জানুয়ারি থেকে টিকাকরণ শুরু হওয়ার কথা। তার আগে রাজ্যের সমস্ত জেলায় পৌঁছে যাবে ওই টিকা।

সোমবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই ভার্চুয়াল বৈঠকে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সূত্রের খবর, করোনার টিকা কলকাতা বিমানবন্দর থেকে প্রথমে পৌঁছবে বাগবাজারে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোরে। সেখানে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় তা সংরক্ষণ করা হবে। তার পর রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে বিধিনিষেধ মেনে পৌঁছে যাবে করোনার টিকা। রাজ্যে চিকিৎসক, নার্স, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী মিলিয়ে প্রায় ছ’লক্ষ মানুষ স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। প্রত্যেকের জন্য দু’টি করে ডোজ দিতে হবে। ফলে ১২ লক্ষ ডোজের প্রয়োজন। এ ছাড়়াও পুলিশ, দমলকর্মী, হোম গার্ড-সহ করোনা যোদ্ধাদের প্রথমে টিকা দেওয়া হবে।

এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কত টিকা আসবে, তা জানা যায়নি। যদিও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সব জেলায় ৩টি করে হাসপাতালে টিকাকরণের মহড়া হয়েছে। ২৫জন স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ম মেনে ‘নকল’ টিকা দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়া কোনও রকম জটিলতা হয়নি। প্রথম ডোজ দেওয়ার পর, দেওয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।

একটি বিশেষ সফটওয়্যার অ্যাপের মাধ্যমে যাঁরা টিকা নেবেন, তাঁদের বিষয়ে কিছু তথ্য নথিবদ্ধ থাকবে। পরে যখন ফের টিকা দেওয়া হবে, তখন তাঁর কাছে এসএমএস চলে যাবে।

সোমবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদী বলেন, কোভিড মোকাবিলায় কেন্দ্র এবং রাজ্য যে ভাবে এক যোগে কাজ করেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার ফলে বিশ্বের অন্যত্র যে ভাবে কোভিড ছড়িয়েছে, ভারতে সে ভাবে ছড়ায়নি।’

মোদীর বক্তব্য, দু’টো টিকাকে ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আরও চারটি টিকা দ্রুত ছাড়পত্র পেতে পারে।

কারা পাবেন এই টিকা, তা-ও সোমবার বলেন মোদী। তাঁর কথায়, ‘‘সরকারি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের স্বাস্থ্যকর্মীরাই প্রথম টিকা পাবেন। এর পর সাফাইকর্মী, পুলিশকর্মী-সহ অন্য প্রথমসারির করোনা যোদ্ধাদের টিকা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় দফায় ৫০ ঊর্ধ্বদের দেওয়া হবে। তার সঙ্গে ৫০-এর নীচে অথচ, যাঁদের কো-মর্বিডিটি বেশি, তাঁদেরও টিকাকরণ হবে দ্বিতীয় দফায়।’’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘‘প্রথম দফায় ৩ কোটি ডোজের খরচ কেন্দ্রের।’’