যুক্তরাজ্য এর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মন্ত্রী লর্ড আহমেদ ঢাকায়

75
যুক্তরাজ্য
Social Share

যুক্তরাজ্য এর দক্ষিণ এশিয়া ও কমনওয়েলথ বিষয়ক মন্ত্রী ও সংঘাতে যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে যুক্তরাজ্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রতিনিধি লর্ড (তারিক) আহমেদ অফ উইম্বলডন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনের সফরের আজ সকালে ঢাকায় এসেছেন।

বাংলাদেশে সফরকালে লর্ড আহমেদ বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর এ কে আব্দুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ সরকারের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

লর্ড আহমেদ যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে আগামী ৫০ বছরের বন্ধুত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা সহযোগিতা ঘনিষ্ঠকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা প্রকল্পে যুক্তরাজ্যের আর্থিক সহায়তার সুযোগ নিয়ে তার আকাঙ্খা নিয়ে এই সফরে আলোচনা করবেন। বাংলাদেশে শিক্ষার বিস্তারের জন্য যুক্তরাজ্যের নতুন সহায়তার ঘোষণাও দেবেন লর্ড আহমেদ।

বুধবার, লর্ড আহমেদ ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন কাউন্সিল অফ মিনিস্টারস-এ যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করবেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এই সফরে লর্ড আহমেদ কক্সবাজারও পরিদর্শন করবেন এবং মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা বিষয়ে আলোচনা করবেন।

গ্লাসগোতে কপ২৬ এ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠক, বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীর সমর্থনে মহামান্য রানী, মহামান্য প্রিন্স অফ ওয়েলস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের শুভেচ্ছা বার্তার পরবর্তী ধাপ লর্ড আহমেদের এই সফর।

এই সফরের আগে লর্ড আহমদ বলেন, “বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরে পুনরায় বাংলাদেশ সফরে আসতে পেরে আমি আনন্দিত এবং এখানে আমার নতুন ও পুরানো বন্ধুদের সাথে গত অর্ধ শতাব্দীর অসাধারণ অর্জন উদযাপন করার জন্য উন্মুখ। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে সংযুক্ত এবং দৃঢ় বন্ধনের উপর প্রতিষ্ঠিত। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের অংশীদারিত্ব পরবর্তী পঞ্চাশ বছরে এবং তার পরেও ব্রিট বাংলা বন্ধন রূপে বিকশিত হতে থাকবে।”

এই সফরের আগে লর্ড আহমদ বলেন, “বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরে পুনরায় বাংলাদেশ সফরে আসতে পেরে আমি আনন্দিত এবং এখানে আমার নতুন ও পুরানো বন্ধুদের সাথে গত অর্ধ শতাব্দীর অসাধারণ অর্জন উদযাপন করার জন্য উন্মুখ। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে সংযুক্ত এবং দৃঢ় বন্ধনের উপর প্রতিষ্ঠিত। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের অংশীদারিত্ব পরবর্তী পঞ্চাশ বছরে এবং তার পরেও ব্রিট বাংলা বন্ধন রূপে বিকশিত হতে থাকবে।”