যা করেছি তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী নই, আফগানিস্তান প্রসঙ্গে বাইডেন

75
যা করেছি
Social Share

আফগান প্রদেশ থেকে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহার নিয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বুধবার (১৯ জানুয়ারী) তিনি বলেন, যা করেছি তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী নই। এসময় আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং প্রত্যাহারের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বাইডেন পূর্ববর্তী প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান থেকে ২০ বছর হ পর সহজে বেরয়ে আসার কোনও উপায় ছিল না। যখনই তা করতে যাওয়া হয়েছে তখনই তা সম্ভব হয়নি এবং আমি যা করেছি তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী নই। 

তবে গত বছরের আগস্টের মাঝামাঝি তালেবানরা দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আফগানিস্তানের সংকটের জন্য বাইডেন তার সহানুভূতি প্রকাশ করেন।  তিনি বলেন, আফগান নারী ও পুরুষ, যারা সন্ত্রাসী হামলার ফলে বিমানবন্দরে লাইনে বিস্ফোরণের শিকার হয়েছেন তাদের জন্য আমি খুবই উদ্বিগ্ন। 

বাইডেন বলেন, আমরা যদি সরে না আসতাম, তাহলে আরও অনেক শক্তি প্রয়োগ করতে হত, আফগানিস্তানের দিকে অনেক বেশি নজর দেওয়া হত। তালেবানদের অযোগ্যতার পরিণতি হিসাবে যা ঘটছে তা কি আমার খারাপ লাগছে না? হ্যাঁ, অবশ্যই লাগছে।

তিনি আরও বলেন,  তাই বলে বিশ্বজুড়ে যা ঘটছে আমরা প্রতিটি সমস্যার সমাধান করতে পারি না এবং তাই আমি এটিকে যথাযথ সমস্যা হিসাবে দেখছি না।

আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যে অর্থনৈতিক বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে, সেই বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আমেরিকান বাহিনীকে সে দেশে রাখতে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের সাপ্তাহিক ব্যয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বাইডেন উল্লেখ করেন,  তিনি শান্তিপূর্ণ সমাধানে সম্ভাবনার কথা বলেছেন।

…………………………………………………………………………………………………….

তবে গত বছরের আগস্টের মাঝামাঝি তালেবানরা দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আফগানিস্তানের সংকটের জন্য বাইডেন তার সহানুভূতি প্রকাশ করেন।  তিনি বলেন, আফগান নারী ও পুরুষ, যারা সন্ত্রাসী হামলার ফলে বিমানবন্দরে লাইনে বিস্ফোরণের শিকার হয়েছেন তাদের জন্য আমি খুবই উদ্বিগ্ন। 

বাইডেন বলেন, আমরা যদি সরে না আসতাম, তাহলে আরও অনেক শক্তি প্রয়োগ করতে হত, আফগানিস্তানের দিকে অনেক বেশি নজর দেওয়া হত। তালেবানদের অযোগ্যতার পরিণতি হিসাবে যা ঘটছে তা কি আমার খারাপ লাগছে না? হ্যাঁ, অবশ্যই লাগছে।

তিনি আরও বলেন,  তাই বলে বিশ্বজুড়ে যা ঘটছে আমরা প্রতিটি সমস্যার সমাধান করতে পারি না এবং তাই আমি এটিকে যথাযথ সমস্যা হিসাবে দেখছি না।

আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যে অর্থনৈতিক বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে, সেই বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আমেরিকান বাহিনীকে সে দেশে রাখতে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের সাপ্তাহিক ব্যয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বাইডেন উল্লেখ করেন,  তিনি শান্তিপূর্ণ সমাধানে সম্ভাবনার কথা বলেছেন।