মেরিনোর গোলে শাপমোচন, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিতে স্পেন

সহজ ম্যাচের প্রত্যাশা স্পেনের কোচ করেননি। গোল পেতে দেরি হলেও বেলজিয়াম অবশ্য ম্যাচটা খুব বেশি কঠিন করতে পারেনি। লা রোজারা আগে লিড নিলেও সমতায় প্রথমার্ধ শেষ করে ডি ব্রুইনিরা। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের একেবারেই শেষ দিকে গোল করেছেন স্পেনের মাইকেল মেরিনো। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্পেন।

এই জয়ে ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের গেরোও কেটেছে। শিরোপা ঘরে তোলার পরের তিন আসরে শক্তিশালী দল নিয়ে বিশ্বকাপে পা রেখেছে স্পেন। কিন্তু অজানা অভিশাপে ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বিদায় নিতে হয়েছে। রাশিয়া ও কাতারে  লা রোজাদের যাত্রা থেমেছে শেষ ষোলোয়। এবার শেষ চারে পা রাখল লামিন ইয়ামাল-পেদ্রিদের স্পেন।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চমক রেখেছিলেন স্পেন কোচ লা ফুয়েন্তে। শুরুর একাদশে মিডফিল্ডার প্রেদিকে রাখেননি তিনি। তার জায়গায় শুরুতে খেলা ফ্যাবিয়ান রুইজ দলকে প্রথম লিড এনে দেন। ম্যাচের ৩০ মিনিটে গোল করেন এই পিএসজি মিডফিল্ডার।

রুইজের করা গোলে স্পেনের মিডফিল্ডার দানি অলমোর যতটুকু অবদান, ততটুকুই ভুল বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কর্তুয়ার। অলমোর দূর থেকে নেওয়া শট লাফিয়ে ফেরালেও রিয়াল মাদ্রিদে খেলা গোলরক্ষক বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বলে শট নিয়ে গোল করেন রুইজ।

ওই গোল ম্যাচের ৪১ মিনিটে শোধ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে গ্রুপ পর্বে ভালো না খেললেও নকআউটে স্বরূপে ফেরা বেলজিয়াম। টিমোথ কাসতাগ্নে দারুণ এক ক্রস দেন স্পেনের বক্সে, লাফিয়ে হেড করেন ডি ক্যাটেলারে। স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন গোল বাঁচানোর জন্য বলের লাইনেই যাওয়ার সুযোগ পাননি।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে খেলতে থাকে স্পেন। বেলজিয়ামকে খুব একটা আক্রমণে ওঠার সুযোগ না দিয়ে লা রোজারা একটার পর একটা আক্রমণ তুলতে থাকে। বিশেষ করে রাইট উইঙ্গ নিয়ে লামিন ইয়ামাল দারুণ কিছু শট নেন। কিন্তু ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে কর্তুয়া সেগুলো দারুণ রিফ্লেক্সে ফিরিয়ে দেন। গোল হতে দেননি ইয়ামালের নেওয়া ফ্রি কিক কিংবা বক্সের মুখ থেকে নেওয়া বাঁ পায়ের দারুণ তিনটা শটে।

ম্যাচে ৬৮ শতাংশ বল পায়ে রেখে ১৮টি আক্রমণ তোলা স্পেন জয়সূচক গোলের দেখা পায় ৮৮ মিনিটে। আর্সেনালে খেলা হাইব্রিড মিডফিল্ডার কাম স্ট্রাইকার খ্যাত মাইকেল মেরিনো বক্সের মুখে ফাঁকা বল পেয়ে জালে পাঠিয়ে দেন। যে গোলের বড় কৃতিত্ব স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুর্বাসির। তিনি জোরের ওপর শট নেন। যা কর্তুয়ার ইনজুরিতে বদলি নামা সেনে লামেন্সের ধরা উচিত ছিল। কিন্তু বলটি তিনি গ্লাভস বন্দি করতে না পারায় গোলের মুখে ফাঁকায় পেয়ে জালে পাঠিয়ে দেন মেরিনো। ওই গোলেই সেমিফাইনালের উদযাপনে মাতে স্পেন।

পূর্বের খবরজনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী 
পরবর্তি খবরভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!