মুক্তিযুদ্ধে আজারবাইজানের সহযোগিতা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

গতকাল শনিবার আজারবাইজান সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ‘দুই নেতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গভীর করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন,’ আজারবাইজানের দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আল্লামা সিদ্দিকি বাকুর প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ হিসেবে আজারবাইজানের সহযোগিতার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

এ সময় ১৯৯২ সালে নতুন দেশ হিসেবে আজারবাইজানের প্রতি বাংলাদেশের সহযোগিতার কথা বলেন প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ইস্যুতে নৈতিক এবং বৈষয়িক সহযোগিতা প্রদানের জন্য আজারবাইজানের প্রতি ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশের কৃষি খাতের চমকপ্রদ সাফল্যের উল্লেখযোগ্য দিকগুলোও এ সময় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা সাদরে গ্রহণ করেন।

শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে আজারবাইজানে বাংলাদেশের একটি অফিস খোলার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষর করা হয় এই বৈঠকের পর। হাসিনা-রুহানি বৈঠক

আগের দিন শুক্রবার শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বিশ্বের সব মুসলিম দেশকে একটি পরিবারের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি। রুহানি বলেন, মুসলিম দেশগুলোর উচিত পারস্পরিক মতবিরোধ দূরে ঠেলে একটি পরিবারের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকা।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নে সন্তোষ প্রকাশ করে রুহানি বলেন, ইরান অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ করে জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রস্তুত রয়েছে।