মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিষয়টি অনুভূতির-এটাকে লালন ও ধারণ করতে হবে : মেয়র

বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা ফাউন্ডেশনের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মেয়র

91
চেতনার
Social Share

চট্রগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিষয়টি অনুভূতির বিষয়। এটিকে লালন ও ধারণ করতে পারলে- স্বাধীনতার পূর্ণ সফলতা অর্জিত হবে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা ফাউন্ডেশন ও বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমি’র যৌথ উদ্যোগে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

সংগঠনের চেয়ারম্যান একুশে পদক প্রাপ্ত ভৌত বিজ্ঞানী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়–য়া ও সংগঠনের সচিব লায়ন ডা: আর কে রুবেলের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, তিনি বলেন- ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে চেতনার আমার ভাই সাইফুদ্দীন খালেদ চৌধুরীকে হারিয়েছি। এরকম লাখো শহীদদের আত্মহুতির বিনিময়ে যে বাংলাদেশ সোনার বাংলায় রূপান্তর করা গেলেই স্বাধীনতা শব্দটি অর্থবহ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. বেনু কুমার দে। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে সৃজনশীল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলেই স্বাধীনতার প্রকৃত রূপ ফুটে উঠবে। বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের চেয়ারম্যান সুকান্ত ভট্টাচার্য বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই স্বাধীনতার অগ্রযাত্রার পথ সুগম করতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজয়’৭১ এর সভাপতি নাট্যজন সজল চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমির পরিচালক জসিম উদ্দীন চৌধুরী। বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানস কুমার মিত্র, প্রকৌশলী সোননাথ দাশগুপ্ত রাজু, কো-চেয়ারম্যান এম.এ সবুর, কবি আশীষ সেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাদশা মিঞা, ডাঃ মুজিবুল হক চৌধুরী, উত্তম কুমার আচার্য্য, মোঃ আবদুল নূর, মোঃ সেলিম, ডাঃ এস.এম কামরুজ্জামান, মোঃ মনজুর আলম, সংগঠনের সঙ্গীত শিল্পী রূপম মুৎসুদ্দী টিটু, খোকন মজুমদার রাজীব, অনুপ কুমার পালিত রাসু, মোঃ আইয়ুব, ডাঃ এস কে পাল সুজন, ডাঃ মাহমুদুল হাসান, ডা: বেলাল হোসের উদয়ন, মো ইসমাইল,
সুদীপ্ত দাশ, আসিফ ইকবাল, রাজশ্রী মজুমদার, শিক্ষিকা মিনু মিত্র, ঝুমকা ঝুমা, আবৃত্তিশিল্পী সোমা মুৎসুদ্দী, নাসরিন তমা, পিংকি চক্রবর্ত্তী, মৃণাল কান্তি দাশ, কানু দাশ, শিলা আক্তার, আরাফাত রহমান কচি, আনিসুর রহমান ফরহাদ প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও অনুষ্ঠানের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়–য়া বলেন স্বাধীনতার এ মাহেন্দ্রক্ষণে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। নিয়মিত জ্ঞান চর্চা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটিয়ে শুদ্ধচর্চায় নিবেদিত হতে হবে আগামী প্রজন্মকে।