মহেশপুরে জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের ঘেটনায় ইউপি সদস্যসহ আ.লীগের ২নেতা আটক

54
Social Share

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ মহেশপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক এমপির ছবি সম্বলিত ঈদ শুভেচ্ছার তোরণ ভাংচুরের ঘটনায় ইউপি সদস্য বিপুল সহ আওয়ামী লীগের ২নেতা আটক।

মহেশপুর থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে প্রকাশ, শুক্রবার দিবাগত রাতে মহেশপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এসবিকে ইউপি সদস্য রকিমুজ্জামান বিপুলকে কাঁকিলাদাড়ি গ্রাম থেকে এবং খালিশপুর নিজ বাড়ি থেকে শুকুর আলীর ছেলে ইয়ার আলীকে আটক করে। জানা গেছে, গত ১৩ই মে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা ঝিনাইদহ ৩ আসনের সাবেক এমপি নবী নেওয়াজ খালিশপুর বাজারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ব্যানার দিয়ে ঈদ শুভেচ্ছার তোরণ নির্মান করেন। ঈদের দিন রাতে ঐ তোরণ ভাংচুর করে ব্যানারগুলি ময়লা আবর্জনার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় যুবলীগ নেতা মিঠুন বাদি হয়ে অজ্ঞাত ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় মামলা দায়ের করে। যার নং ২৭ তারিখ-১৯/০৫/২১। পুলিশ গত ৩দিনে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাইমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপরোক্ত ২জনকে আটক করে। শনিবার খোজ নিয়ে জানা গেছে, জামায়াত-বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানকারী অনেক হাইব্রিড নেতারা গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ খালিশপুর ও বজরাপুর গ্রামে আরো কয়েকজনের বাড়িতে হানা দিলেও তারা পালিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, উক্ত ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তারা পেয়েছে। অচিরেই দোষীদেরকে আটক করতে সক্ষম হবে। উল্লেখ্য, রকিমুজ্জামান বিপলু মেম্বার এসবিকে ইউনিয়নের অনেক অপকর্মের হোতা। সে সরকারি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে বড় ধরনের একটি সিন্ডিকেট পরিচালনা করে থাকে। মহেশপুর ৫৮ বিজিবি’র অধিনায়কের নাম ভাঙ্গিয়ে নানা ধরনের অপকর্ম ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গত ২০১৯ সালের ১৬ই আগস্ট গ্রেফতার হয় এবং তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়। উক্ত বিপলু মেম্বার হাট-ঘাট সহ সরকারের বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করার জন্য একটি সিন্ডিকেট গঠন করেছে। যার সদস্য রয়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক। এরমধ্যে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির ক্যাডাররা রয়েছে। যারা গত ২/৩ বছর আগে আওয়ামী লীগের যোগদান করেছে। এ সকল হাইব্রিড নেতাদের প্রভাবে দুঃসময়ের আ.লীগ নেতারা এখন কোনঠাসা হয়ে পড়েছে।
সাবেক এমপি নবী নেওয়াজ বলেন, জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে যেই ছিনিমিনি খেলুক তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ দোষীদের শাস্তির দাবি করেন।
——– এলাকার মানুষের দাবি নির্দোষ কেউ যাতে হয়রানীর শিকার না হয়। সকলেই দাবি করেছেন হুকুম দাতারা যাতে ফাঁকফোকর দিয়ে বের হতে না পারে।