মহাউৎসবের স্মৃতি

43
Social Share

২০০০ সালের দিকে অনেকটা অপরিণত বয়সে প্রবীণ এক সাংবাদিক ও সংগঠকের সান্নিধ্যে গিয়ে প্রথম শুনেছিলাম নামটি।  কিন্তু কোথায় যেন এক গভীর ইন্দ্রজাল আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল। ক্রমেই সেই নামের প্রতি মহাআসক্তি অন্বেষণে পরিণতি লাভ করে। তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, অখণ্ড ভারতবর্ষের প্রকৃত মুক্তিদাতা। দেশপ্রেম, সাহসিকতা, আত্মত্যাগ আর বহুমাত্রিক বিরল প্রতিভার সম্মিলিত রূপে যে সুভাষচন্দ্রকে আবিষ্কার করেছিলাম, পরবর্তী সময়গুলোতে তাঁর চর্চা ও অন্বেষণ আরও ব্যাপকতা লাভ করে।

অচিরেই এই প্রতীতি জন্মে যে, সমকালীন যে সংকটের ঘুর্ণাবর্তে আমরা প্রতিনিয়ত ঘুরপাক খাচ্ছি-তার যথার্থ পথনির্দেশ নেতাজির সংগ্রামী জীনাদর্শে। কিশোর মনের সেই প্রতীতি ঘণীভূত হয়ে আত্মপ্রকাশ লাভ করে ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারিতে। সেদিন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বুকে সগৌরবে ঘোষিত হয়েছিল নেতাজির গৌরবগাঁথা। প্রাদেশিকতার গণ্ডিকে সরিয়ে রাখলেও একথা আমাদের স্বীকার করতেই হবে যে, পরাধীন অখণ্ড ভারতবর্ষের মুক্তির অভিযান শুরু করেছিলেন বাঙালিরাই। আমাদের জাতিসত্ত্বার রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রতিবাদ ও সংগ্রামের যে দুর্দমনীয় নেশা তা বোধহয় ভারতবর্ষে কেবল নয়-বিশ্বের কাছেও এক বিরাট দৃষ্টান্ত।

লেখক আশরাফুল ইসলাম


ফিরে আসছি নেতাজি প্রসঙ্গেই। তথ্যানুসন্ধানে জানা যাচ্ছে যে, নব্য ঔপনিবেশিক পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর পরাধীনতার শৃঙ্খলমোচনে বাঙালির যে মরণপণ সংগ্রাম ১৯৭১ এ সংঘটিত হয়েছিল সেখানেও নেতাজির গৌরবদীপ্ত ‘আজাদ হিন্দ’ এর ভারত অভিযান বিরাট প্রেরণা হয়ে শক্তি যুগিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের। মুক্তিযুদ্ধ পূর্ব ও পরবর্তী সময়ের এই অঞ্চলের বিভিন্ন ভাষায় মুদ্রিত সংবাদপত্র আমাদের কাছে স্পষ্টভাবেই এই সত্যকে মেলে ধরছে। আমি নিঃসন্দেহ চিত্তে এই পরম সত্যকে উচ্চারিত হতে দেখি সম্প্রতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুজিবের অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে। যেখানে একাধিক স্থানে উৎকীর্ণ নেতাজি বন্দনা। কিন্তু বেদনার বিষয় যে, বঙ্গবন্ধু মুজিবের জীবদ্দশায় সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে নেতাজির চর্চা শুরু হলেও বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর সেই চর্চার পথ বন্ধ হয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন এক যুগে আমরা প্রবেশ করি।

২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মতিথিকে মহাসমারোহে উদযাপনে ভারত সরকারের জাতীয় কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয় শহর কলকাতায়


২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মোৎসব আয়োজন পুরনো পরম্পরাকে ফের জাগিয়ে তুলে বৃহত্তর বাঙালি সমাজে। বাঙালির এই ‘অখণ্ড গৌরব’কে তরুণ সমাজের কাছে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে সেই আয়োজন একরকম মাইলফলক হিসেবে কাজ করে। অনাড়ম্বর সেই আয়োজনে দুই দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি ও গবেষকদের সরব উপস্থিতি প্রায় পাঁচ দশক ধরে ব্রাত্য নেতাজি ফের স্বমহিমায় অধিষ্ঠিত হলেন। গেল তিনটি বছর এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘বহুমাত্রিক.কম’ ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর নেতাজি সুভাষ আইডিওলজি (আইসএনএসআই)। এই আয়োজনের ধারাবাহিকতায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যে অগ্রগতি সাধিত হয় তা হচ্ছে-দুই দেশের প্রগতিশীলতা ও দেশপ্রেমে উৎসারিত জনগণের সঙ্গে এক নিরঙ্কুষ ঐক্যের মেলবন্ধন রচনা। এই মেলবন্ধনের স্বরূপ উন্মোচিত হয় চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি (২০২১) ভারত সরকারের নেতাজির ১২৫ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে উচ্চ পর্যায়ের এক কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কুশল বিনিময়ে আশরাফুল ইসলাম


ভারতের প্রকৃত মুক্তিদাতাকে দীর্ঘ কাল ব্রাত্য করে রাখার সুগভীর চক্রান্তের বিপরীতে বর্তমান ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বে গঠিত ৮৫ সদস্যের কমিটিতে আমাকে বাংলাদেশ থেকে একমাত্র সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করার মধ্য দিয়ে নেতাজির চর্চার আন্তর্জাতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধনকেই প্রকারান্তরে স্বীকৃতি দেয় দেশটির সরকার।

গেল ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মতিথিকে মহাসমারোহে উদযাপনে ভারত সরকারের জাতীয় কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয় শহর কলকাতায়। স্বাধীনতা সংগ্রামের তীর্থ এই শহর কলকাতায় আলাদা দুটি ভেন্যুতে জমকালো যে অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়, দেশটির নেতাজি জন্মোৎসব সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সদস্য হিসেবে আমাকেও আমন্ত্রণ করা হয় সেখানে। কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি রাজ্য সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নেতাজির যে জন্মোৎসব আয়োজন করে তা রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নানা আলোচনা-পরস্পরবিরোধী অবস্থান থাকলেও প্রকৃতঅর্থে জনগণের হৃদয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যে বিরাট আসন তার অভূতপূর্ব প্রকাশ ঘটে এবারের মহাআয়োজনে।

সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর কল্যাণে প্রত্যন্ত জনপদে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে নেতাজিভক্তির অপূর্ব  ও স্বতস্ফূর্ত যে দৃশ্য সামনে আসে তা বোধহয় বিরল ঘটনা। গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রিয় ‘দেশনায়ক’ সুভাষচন্দ্র বসুকে ‘জনগণমনঅধিনায়ক’ রূপে যেভাবে বরণ করেছিলেন বাঙালি সমাজ যেন সেই আবহ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়নি। ভারতের ঘরে ঘরে নেতাজির অধিষ্ঠান আজ ‘ভগবান’ রূপে। আজ এই লেখা যখন লিখছি, তার খানিক আগে কলকাতার খবরের কাগজে মুদ্রিত একটি খবরের দিকে দৃষ্টি পড়তেই চোখ ভিজে এলো। নিজ সন্তানের দ্বারা গৃহ থেকে বিতাড়িত হয়ে এক মা বিচার চাইতে এসেছেন নেতাজির কাছে! কলকাতার শ্যামবাজারে নেতাজির ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে উদ্ধার হওয়া সেই হতভাগ্য নারীর কাছে আজও মুক্তিদাতা কেবলমাত্র নেতাজিই!

২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মতিথিকে মহাসমারোহে উদযাপনে ভারত সরকারের জাতীয় কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয় শহর কলকাতায়


নেতাজির মহাউৎসবে যোগ দিতে গেল ২২ জানুয়ারি অপরাহ্নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কলকাতার পথে যাত্রা করবার পূর্বেও মনে হয়নি চেনা শহর কলকাতাকে কী রূপে দেখতে চলেছি। দেশটির কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের আমন্ত্রণে কলকাতায় পা রেখে সর্বত্র দেখা গেল গোটা শহর নেতাজিময়। নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, এই আবহ নির্মাণে কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের প্রয়াস ছাপিয়ে সাধারণ জনগণের আবেগ কোনোভাবেই সামান্য নয়। মুচির দোকানে, চা’য়ের স্টলে, বিদ্যায়নের প্রবেশপথে, যানবাহনের অগ্রভাগে, বিপণীবিতানে কিংবা প্রকাণ্ড আবাসন পল্লীতে-কোথায় নেই তিনি।

আলো জ্বলমল শহর কলকতায় অতিথিদের রাখবার ব্যবস্থা হয়েছিল হোটেল তাজ বেঙ্গলে। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের কর্তাব্যক্তিগণ অপরাপর অতিথিদের সঙ্গে পরম সৌহার্দ্যে যখন আমাদের স্বাগত জানাচ্ছিলেন তখন চমকে যাওয়ার মতো দেখতে পাই আমার নিকটেই নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজের দুই বীর সেনানিকে। ১৯৪৪-৪৫ এ উত্ত্যপ্ত বিশ্বযুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে পরাক্রমশালী ব্রিটিশ-আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ করে যুদ্ধ ঘোষণা করা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যে বীর সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করে রণাঙ্গনে পাঠিয়েছিলেন পরাধীন দেশমাতাকে মুক্ত করতে-সাড়ে ৭ দশক পর সেই বীরদের সামনে পাওয়ার অনুভূতি লিপিকুশলতায় তুলে ধরা যায় না।

খানিকটা বাষ্পরুদ্ধ আমি আজাদ হিন্দের নারী বিগ্রেড ঝাঁসির রাণীর অকুতোভয় সেনানি আশা সহায় ও নায়েক লালতিরামের পাশে দণ্ডায়মান হয়ে তাদের পূণ্যপদস্পর্শে নিজেকে ধন্য করি। বার্মা ও মণিপুরের দুর্গম পর্বতে কী অসীম সাহসিকতা নিয়েই তারা মাতৃভূমির মুক্তির অভিযানে নিজেদের সঁপে দিয়েছিলেন এবং তা করতে পেরেছিলেন কেবল তাদের কমান্ডার ইন চিফ নেতাজি সুভাষের প্রেরণায়। সাত দশক পেরিয়ে মুক্ত স্বদেশে নেতাজির মহাউৎসবে তাদের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে এক গৌরবদীপ্ত আবহ সঞ্চার করে।

নেতাজিকে নিয়ে আশরাফুল ইসলামের বিশেষ নিবন্ধ


পূণ্যতিথি ২৩ জানুয়ারির প্রভাতে ন্যাশনাল লাইব্রেরির অঙ্গনে সর্বত্র নেতাজির আবহ। তাঁর বলিষ্ঠ উন্নত শির যেন জীবন্ত স্বরূপে তাঁরই কীর্তি স্বমহিমায় ঘোষণা করছিল। লক্ষ্য করার বিষয় ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের আয়োজনে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে ও ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে আলাদা অনুষ্ঠানে জ্যেষ্ঠদের সঙ্গে মূল আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দিতে পেরেছিলেন বহু তরুণরাও।

মূলতঃ ‘রিভিজিটিং দ্য লিগেসি অব নেতাজি সুভাষ ইন টোয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে যোগ দিয়ে ‘স্ট্রাগল অব আজাদ হিন্দ, লিবারেশন ওয়্যার ’৭১ অ্যান্ড আদার ইস্যুজ’ শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থানের সুযোগ পাই আমি। ডিস্টিংগুইস্ট স্পিকার হিসেবে  নির্ধারিত বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপনে আজাদ হিন্দের রক্তাক্ত ভারত অভিযানের সঙ্গে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পরম্পরাকে তুলে ধরবার সঙ্গে আমি বাঙালির দুই অবিসংবাদিত নেতা সুভাষ-মুজিব আদর্শিক সম্পর্কের মধুর সম্মিলনকেও তুলে ধরার প্রয়াস পাই।

পরিসমাপ্তিতে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করি গুরুদেব রবীন্দ্রনাথের সেই অবিস্মরণীয় বাণী, যা তিনি তাঁর প্রিয় দেশনায়কের সমক্ষে উচ্চারণ করেছিলেন মহাজাতি সদনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময়ে। কবি বলেছিলেন, ‘বাঙালির বাহু ভারতের বাহুকে বল দিক/বাঙালির বাণী ভারতের বাণীকে সত্য করুক’।

আবেগমথিত এই স্মরণোক্তি সেমিনারে উপস্থিতিকে কতোটা আন্দোলিত করে তা সমাপ্তির পর বুঝতে পারি। এখানে বক্তার কৃতিত্ব কিছু নেই, বাঙালি হৃদয়ে স্বদেশের প্রতি আবেগ ও ভালোবাসার যে প্রগাঢ় উপস্থিতি তা খানিকটা আন্দোলিত হওয়ার সুযোগ পেলেই প্রবলবেগে আছড়ে পড়ে। প্রাদেশিকতার অভিযোগকে সরিয়ে আদি ও অকৃত্রিম ভারতবর্ষের অন্তর্নিহিত যে শক্তি তা যে বঙ্গীয় জনপদে প্রোথিত তা বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আসা বিশিষ্ট বক্তাগণও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্বীকার করেন। কবিগুরুর সেই অমোঘ বাণী তাই তেইশের নেতাজি প্রণামে সত্যিই ‘অকৃত্রিম সত্যতা লাভ করে’।

সেমিনারের সমাপনাত্বে ঐতিহাসিক বেলভেডার হাউসের প্রশস্ত করিডোরের মধ্যাহ্নভোজে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার বিশিষ্টজনরা অখণ্ড স্বদেশের স্মৃতিচারণে মেতে উঠেন। তাদের মুখে অখন্ড ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, পাবনা কিংবা রাজশাহীর নাম এমন ভাবাবেগে উচ্চারিত হয় যে, অনেককে অশ্রুসিক্ত হতেও দেখা যায়। নেতাজির অখণ্ড অসাম্প্রদায়িক স্বদেশ ভাবনা তাঁরই পূণ্যতিথিতে ফের আচ্ছন্ন করলো পুরো অঙ্গনকে।

খানিক পরেই সেমিনারের বিশিষ্ট বক্তাগণের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঔদার্যপূর্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় পর্বে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আমার অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে অপূর্ব সংযোজন ছিল। কেননা আপোষহীন জননায়ক সুভাষচন্দ্র বসু গোপনে দেশত্যাগ করবার পূর্বে শেষ সফরটি পূর্ববাংলাতেই করেছিলেন। পূর্ব বাংলার জনগণের থেকেই তিনি সবচেয়ে বেশি সমর্থন-সহযোগিতা লাভ করেছিলেন। তাঁর পূণ্যতিথির মহাউৎসবে তাই সেই বাংলার জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে ভারত সরকার কেবল ঐতিহানিক ও ঐতিহ্যিক পরম্পরাকেই সম্মান জানায়নি, চিরবন্ধুপ্রতীম প্রতিবেশি বাংলাদেশের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও মৈত্রীর বন্ধনকেও মর্যদা দিলো।

লেখক: বহুমাত্রিক.কম এর প্রধান সম্পাদক এবং বাংলাদেশে নেতাজির জন্মোৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে গঠিত সুভাষবর্ষের ৮৫ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির অন্যতম সদস্য।