মরহুম এম আব্দুর রহিম এডভোকেট: অনন্য এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব

249
Social Share

এম বি আখতার, উন্নয়ন কর্মী ও বিশ্লেষক:

দিনাজপুরের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মরহুম এডভোকেট এম আব্দুর রহিম। একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব একটি আদর্শিক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নাম। আদর্শিক মতপার্থক্য ও মতভেদ থাকলেও এম আব্দুর রহিম এর জীবদ্দশায় রাজনৈতিকমত প্রকাশের শৈলী, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সংস্কৃতির চর্চা, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দিতা ও গনতান্ত্রিক অনুশীলন গুলি ছিলো রাজনীতিবিদদের নিকটঅনুকরণীয়, অনুসরনীয় বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাথে তুলনা করলে আমরা অনেকেই হতাশ হবো কারণ রাজনৈতিকসহনশীলতা, ভিন্নমত ও পথের মানুষের অধিকার রক্ষায় আজকের দিনে একধরনের শূন্যতা অনুভব করতে হয়। তিনি রাজনৈতিক, পারিবারিক ও পেশাগত জীবনকে এমন ভাবে পরিচালনা করেছিলেন যা অনেকের নিকট অকল্পনীয় মনে হলেও এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরে আসুক বর্তমান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিকট সাধারন মানুষ এমনটিই আশা করেন। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ হচ্ছে জনাব এম আব্দুর রহিম এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী, তার বিদেহীআত্মার প্রতি শ্রদ্ধা ও শান্তি কামনা করি। ১৯৭৮ সনে ছাত্রলীগে যোগদান, তারপর থেকেই দিনাজপুর মালদহপট্টির দোতালায়
(বর্তমান আইএফআইসি ব্যাংকের পাশের ভাঙ্গা ভবন) ছাত্রলীগের অফিসে নিয়মিত যাতায়ত। সেই সময় ছাত্রলীগে অনেক তরুন জড়িত হয়েছিলো। জয় বাংলা, জয়বঙ্গবন্ধু, এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ মুজিব জন্ম নেবে, শেখ শেখ শেখ মুজিব-লাও লাও লাও সালাম, এরকম অনেকে শ্লোগানে স্থানীয় কলেজ ক্যাম্পাস সহ দিনাজপুরশহরের রাজপথ প্রকম্পিত রাখতাম। ছাত্রলীগের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দিতা ছিলো সেই সময়ের নতুন ও আগ্রাসী ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের সাথে। ইনায়েতুর রহিম,দেবাশীষ ও হেলালের আবেগ মিশ্রিত বক্তৃতা, মার্শাল, রতন, সোহাগ, মোসাদ্দেক, তহিদুল, মালেক, শংকর আর স্বপনের স্লোগান মোহিত ছিলো দিনাজপুর ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগের তরুনদের ছায়ার মতো আগলে রাখতেন রাশভারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সেইসময়ের দিনাজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব এম আব্দুর রহিম (আমরা চাচা ডাকতাম)। ১৯৭৯ সনের প্রথম দিকে কয়েকজন প্রথমবারের মতো রহিম চাচার সাথে কথা বলতে গেলাম। আমাদের বলা হয়েছিলো তিনি খুবই গম্ভীর মানুষ, সাবধানে কথা বলবা। দেখা হলো, প্রথমেই জানতে চাইলেন কেন ছাত্রলীগে যোগদান করেছি। মনে মনে একটু রাগ হলো, কারন সেই সময়কালে রাস্তায় জয় বাংলা শ্লোগান দিতেই অনেকেই ভয় পেতো সেখানে ছাত্রলীগে যোগদান করেছি এটাতে তিনি আরও উৎসাহিত করবেন নাকি জানতে চাইবেন কেন ছাত্রলীগে যোগদান করেছি। উত্তর দিলাম, তিনি খুব আস্তে আস্তে বললেন, ভাষাআন্দোলন, ছয় দফা, উনসত্তরের গণ আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা নিয়ে পড়বে তাহলে বুঝতে পারবে কেন তোমরা ছাত্রলীগে যোগদান করে গর্ভবোধ করছো। তিনি আরও জানতে চাইলেন বাড়ী কোথায়, বাবা কি করে ইত্যাদি। সবশেষে জানতে চাইলেনমেট্রিক কোন ডিভিশনে পাশ করেছো, উত্তরের প্রেক্ষিতে বললেন এর পরে আরও ভালরেজাল্ট না করলে ছাত্রলীগ করেও জীবন সংগ্রামে কোন লাভ হবে না। পিয়াজু আর চাখাওয়ানোর পর ছেলে ইনায়েতুর রহিম (বর্তমানে হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতি) ডেকে পরিচয় করিয়ে দিলেন যদিও ইনায়েতুর রহিমের সাথে আমাদের ইতিমধ্যেই যোগাযোগ স্থাপন হয়ে গেছে। প্রথম দেখার মিশ্র প্রতিক্রিয়া নিয়ে ফিরে এলাম, কিন্তু এখন ভাবতে খুব ভাল লাগে ছাত্রলীগ করলে লেখাপড়া এবং ভাল রেজাল্টকরতে হবে” কেন বলেছিলেন। সেই কথা আমার লেখাপড়া ও জ্ঞান চর্চা করার উপর যেপ্রভাব রেখেছিলো যা ফলেই আজকের পেশাগত জীবনকে বিকশিত করতে একটু হলেও সহায়তা করেছে। সত্তরের শেষ ও আশির দশকের প্রথম দিকে যারা ছাত্রলীগ করতাম তাদের পকেটে ২-৫টাকা থাকলেই একটা ভাব তৈরী হতো, অথচ অনেকের কাছেই সেই টাকাওথাকতো না। রাজনীতি করলে, নেতৃত্ব দিলে কিছু খরচ করতে হবে, কর্মীদেরকমপক্ষে সিঙ্গারা, ২টা চা ৪টা করে খাওয়াতে হবে অথচ পারতাম না। তাই আওয়ামীলীগের বড় ভাই কিংবা নেতৃবৃন্দর নিকট থেকে সহযোগিতা চাইতেহতো। দু’এক জন নেতা ছিলেন তাদের নিকট সহযোগিতা চাইলে খুব সহজেই ৫-১০-৫০ টাকা পাওয়া যেতো কিন্তু মনে হতো তাদের ইচ্ছা অনুসারে আমাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড করতে হবে। সেই সময় ছাত্রলীগের কর্মী ও নেতৃবৃন্দর মধ্যেযে বিষয়টি খুব প্রভাবিত করেছিলো ছাত্রলীগ আওয়ামীগের অঙ্গ সংগঠন নয়সহযোগী সংগঠন। অতএব সম-মর্যাদায় কাজ করবো। রহিম চাচার কাছে সেইধরনের বার্তা সব সময়ই পেতাম, বলতেন ছাত্রলীগ কারও পকেটের সংগঠন নয়, কাজ করতে হবে, রাজনীতি করতে হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সামনে নিয়ে ছাত্রদের স্বার্থে।

আর্থিক সহযোগিতা চাইলে বলতেন ”বাপুরে আমিও চাই তোমাদের সহযোগিতা করতে কিন্তু এতো টাকা (২০-৫০ টাকাকেই তিনি বলতেন এতোটাকা) তো জোগাড় করা মুসকিল, দেখি কি করতে পারি”। রিক্সায় বা বাসে করেদুরে কোথাও (যেমন পাশের থানা বিরল, বোঁচাগঞ্জ, চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর) যাওয়ার কথা বললেই বলতেন ইনায়েতুর, মালেকের সাইকেল আছে আর কয়েকটি জোগাড় করে ডাবল করে যাও। ট্রেনে যাও রেল শ্রমিক নেতাদের বলে দিবো। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের বলবো তোমাদের নাস্তা খাওয়াবে। হয়তো তিনি সেই টাকা দিতে পারতেন কিন্তু ছাত্ররা অর্থের কাছে কুলসিত হোক এমনটি চাইতেন না বিধায়এই পরামর্শ গুলি দিতেন। তিনি সব সময় পড়ালেখা করেই সৎভাবে ছাত্র রাজনীতিরকথা বলতেন।

১৯৮০ সনের সম্ভবত জুন মাস, আমি তখন ছাত্রলীগ দিনাজপুর জেলা শাখারকার্যকরী সাধারণ সম্পাদক, জেলা শাখার সম্মেলনের পূর্বে সদস্য সংগ্রহ ও প্রস্তুতিমুলক কাজের জন্য নবাবগঞ্জ ও ঘোড়াঘাট (রাণীগঞ্জ বাজার) যেতে হবে। আমি ও ইনায়েতুর যাবো, টাকা দরকার। ভয়ে ভয়ে রহিম চাচার কাছে গেলাম,বিস্তারিত জানালাম। উনি চেম্বারে বসে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে আছেন, মনে হলো আমার কথা শুনছেন না। কথা শেষ করে রহিম চাচার টেবিলের সামনে যে চৌকি ছিলো সেখানে চুপচাপ বসে আছি। উনার সামনে বেশীকথা বলা যেতো না। বেশী কথা বললে তিনি ইংরেজী পেপার হাতে দিয়ে ট্রান্সলেশন করতে বলতেন, না পারলে বকা দিতেন। তাই প্রয়োজনের বেশী কথা বলতাম না। কিছুক্ষন পর দেখলাম সাদা কাজগের উপর কিছু লিখতে শুরু করেছেন, ভাবলাম হয়তো কোর্টের কোন কাজ করছেন। পরপর দু’টি কাগছে কিছু লিখলেন, এবার আমার দিকে তাকিয়ে বললেন ”দু’টো চিঠি দিচ্ছি, একটা ফুলবাড়ী বাসস্টেন্ডের একজন পরিবহন শ্রমিক নেতার নামে আর অন্যটি ঘোড়াঘাটের সেই সময় কোন একজন ন্যাপ নেতার নামে। তুমি ইনায়েতুর সাইকেল নিয়ে যাও (ইনায়েতের ডাবলরোলের চেইন কভার সহ ফোনিক্স সাইকেল ছিলো), শ্রমিক নেতাকে বলে দিয়েছি তোমাদের একজনের ভাড়া নিবে, সাইকেল ছাদে নিয়ে যাবে ভাড়া লাগবে না।

 

বিরামপুরে (দিনাজপুর থেকে প্রায় ৫৫ কিমি দুরে এক উপজেলা) নেমে সাইকেল নিয়ে নবাবগঞ্জ (বিরামপুর থেকে প্রায় ১৫ কিঃমিঃ) যাবা তারপর রাণীগঞ্জ,ঘোড়াঘাট (নবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ১৬ কিঃমিঃ হবে) চলে যাওয়া অনেক সহজ,ছাত্রলীগ করলে কষ্ট করতে হবে। স্থানীয় ন্যাপ নেতা (নাম মনে নেই, নামের শেষে চৌধুরী ছিলো) তোমাদের দু’দিনের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করবে, আসার সময়বাস ভাড়া দিবে। আমরা কিন্তু সেই ভাবেই গিয়েছি, ঘোড়াঘাটে বৈঠকখানায় থাকার ব্যবস্থা হয়েছিলো, এক চৌকিতে দু’জন ঘুমিয়েছি। তিন বেলা ভাল তরকারী দিয়ে ভাত খেয়েছিলাম এটি খুব মনে আছে। রহিম চাচা তার ছেলের জন্য হয়তো বিশেষ কোন ব্যবস্থা করতে পারতেন, মটর সাইকেলের ব্যবস্থা করতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেদিন সেটি করেন নাই, একজন সাধারন কর্মীর মতো আমাদের সাইকেল চালিয়ে মাইলের পর মাইল পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। পরবর্তীতে ইনায়েতুর রংপুর কারমাইকেল কলেজে ছাত্র সংসদের পরপর দুই বার সাধারণ সম্পাদক হয়েছিল। তখন ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের খুব দু:সময়। পরবর্তীতে ছোট ভাই বাবার অনুপ্রেরণায় ছাত্ররাজনীতিতে সততা ত্যাগ নিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে
উজ্জ্বীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হয়েছিল। আজকের রাজনৈতিক অঙ্গনে কষ্ট বা ত্যাগ স্বীকার করার খুব একটা প্রয়োজন হয়না। অথচ আমরা জানি বঙ্গবন্ধু সহ পৃথিবীর সকল প্রগতিশীল নেতৃবৃন্দ।

রাজনৈতিক জীবনে কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করেছেন। রাজনীতিতে সাধারণ এবংঅবহেলিত মানুষের জন্য ভাবতে হয়, পারিবারিক জীবনযাপন খুব সাধারন ভাবে করতে হয়। রহিম চাচার সাথে কাজ না করলে, তার পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত না হলে হয়তো বুঝতে পারতাম না সততার সাথে জীবন যাপন করেও রাজনৈতিক আদর্শবাস্তবায়নে ভুমিকা রাখা যায়। এরকম অনেক অনেক উদহারন আমার মনে আছে যা স্বল্প পরিসরে বলা যায় না। একদিন রহিম চাচা কথা প্রসঙ্গে বলছিলেন স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু অনেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ঠ জনদের গুলশান, বনানী, ধানমন্ডিতে প্লট ও বাড়ী দিয়েছিলেন যাদের ঢাকায় কোন বাড়ী ছিল না, থাকার জায়গা ছিল না। চাচাকে ও গুলশানে একটি বাড়ী নেওয়ার প্রস্তাব বঙ্গবন্ধু দিলে তিনি বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছি আপনার নেতৃত্বে গুলশানে বাড়ী বা ঢাকায় প্লটনেয়ার জন্য নয়। বঙ্গবন্ধু তখন আওয়ামী লীগের সভাপতি আর রহিম চাচা সহ-সভাপতি ছিলেন। আমি ব্যক্তিগত ও পরিবারিক কারনে ১৯৮৬ সনে ছাত্রজীবনের সমাপ্তির সাথে সাথেই পেশাগত জীবন শুরু করি। তাই রহিম চাচার সাথে সেই ভাবে দেখা হতো না, মাঝে মাঝ যেতাম। সেই সময় তিনি এরশাদের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে দিনাজপুরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দিনাজপুর কিশোরী ইয়াসমিনসহ জামাত বিএনপি বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন নেতৃত্ব দিত। উনার সাথে দেখা করলে খুশী হতেন, চা নাস্তা খাওয়াতেন, জানতে চাইতেন চাকুরী কেমন যাচ্ছে, বেতন কতো? অনুরোধ করতেন ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকীতে ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগকে অনুষ্ঠান করার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করার, অনুষ্ঠানে যোগদান করার অথচ তিনি অনুরোধ না করে দাবী নিয়ে আদেশ করতে পারতেন। অথচ করতেন না, তিনি সবসময় ছোট বড়, গরীব বড়লোক, নারী-পুরুষ সকলকে সমানভাবে সম্মান করতেন মর্যাদা দিতেন।

১৯৯৫ সনের আগষ্ট মাসের প্রথম দিকে দিনাজপুর উপশহর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় কোন এক জানাজায় রহিম চাচার সাথে দেখা, সালাম দিলে তিনি জানতে চাইলেন“আখতার তোমাকে অনেক দিন দেখি না, কোথায় আছো, কি করছো”। বললাম চাচা আমি ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়েছিলাম, সেখানে প্রায় ১ বছর ছিলাম। এই কথা শোনার সাথে সাথে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন বাপুরে তুমি বিলেত ঘুরে এসেছো আমি খুব খুশী হয়েছি, ছাত্রলীগের ছেলেরা ভাল কিছু করলে আমার ভাল লাগে। এমন একজন বড় মাপের রাজনৈতিক নেতা, বঙ্গবন্ধুর সহকর্মী, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা দলের অন্যতম সদস্য, দিনাজপুরজেলা রাজনীতির দিকপাল, মুক্তিযুদ্ধির অন্যতম সংগঠক এবং অসম্ভব বড় মনের

মানুষটি আমার মতো সাধারণ ছেলেকে অনেক মানুষের সামনে জড়িয়ে ধরলেন, বাড়ীতে চায়ের আমন্ত্রণ জানালেন সত্যিই সেদিন আমি অনেক বেশী গর্ভ অনুভব করেছিলাম। ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হওয়ার স্বার্থকতা অনুভব করেছিলাম। মহরহু এম আব্দুর রহিম এর রাজনৈতিক শিষ্টাচার, কর্মীদের প্রতি ভালবাসা, নিজ সন্তান ও রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে ভেদাভেদ না রাখা ও রাজনৈতিক সততার উদাহরণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের মধ্যে প্রসারিত হোক মরহুম এম
আব্দুর রহিম সাহেবের মৃত্যু বার্ষিকীতে এই কামনা করছি।