ভিনিউজ ডেস্ক : ১৯৭৪ সালে গুজরাতের বডোদরায় জন্ম সোফিয়ার। ১৯৯৭ সালে জৈবরসায়ন নিয়ে স্নাতোকত্তর করেন। বর্তমানে ভারতীয় সেনার সামরিক যোগাযোগ ও ইলেকট্রনিক্স অভিযান সহায়ক শাখা সিগন্যাল কোরের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক সোফিয়া।
ভারতের সামরিক বাহিনীতে বিশেষ অবদানের জন্য এ বার রাষ্ট্রপতির পদক পাচ্ছেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি। বিশিষ্ট সেবা পদক দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। গত বছর সিদুঁর অভিযানের সময়ে পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের প্রত্যাঘাতের প্রতিটি খুঁটিনাটির বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি। সিঁদুর অভিযানের প্রতিটি পদক্ষেপ কী ভাবে করা হয়েছে, কেন করা হয়েছে— তা সাংবাদিক বৈঠকে ব্যাখ্যা করেন কর্নেল সোফিয়া।
গত বছর ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিদের হত্যাকাণ্ডের পরে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটিগুলিতে প্রত্যাঘাত করেছিল ভারত। পরে দু’দেশের মধ্যে সামরিক সংঘর্ষ বেধে যায়। অনেকের মতে, দেশের নারীশক্তি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিতেই সেনার সাংবাদিক বৈঠকে পাকিস্তানে প্রত্যাঘাতের বিষয়টি নিয়ে জানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কর্নেল সোফিয়াকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বায়ুসেনার উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিংহও।
১৯৭৪ সালে গুজরাতের বডোদরায় জন্ম সোফিয়ার। ১৯৯৭ সালে জৈবরসায়ন নিয়ে স্নাতোকত্তর করেন। বর্তমানে ভারতীয় সেনার সামরিক যোগাযোগ ও ইলেকট্রনিক্স অভিযান সহায়ক শাখা সিগন্যাল কোরের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক সোফিয়া। ৩৫ বছরের এই অফিসার সেনাবাহিনীর একাধিক সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত।
২০১৬ সালে তিনি প্রথম খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। ওই বছর ১৮টি দেশের সামনে ভারতের সামরিক মহড়ায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সোফিয়া। প্রথম মহিলা হিসাবে এই কৃতিত্ব তিনি অর্জন করেন। সে সময়ে সোফিয়া ছিলেন লেফ্টেন্যান্ট কর্নেল। পুণের ওই সামরিক মহড়া ছিল ভারতে আয়োজিত সবচেয়ে বড় বিদেশি সামরিক মহড়া। ২ থেকে ৮ মার্চের মহড়ায় যোগ দিয়েছিল জাপান, চিন, আমেরিকা, রাশিয়ার মতো দেশ। আর কোনও দেশের মহড়ার নেতৃত্বে মহিলা ছিলেন না।
আনন্দবাজার ডট কম




