ভারতীয় হাইকমিশন এর আয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

83
ভারতীয় হাইকমিশন
Social Share

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন এর ভারতের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নকারী এবং পেশাদার কোর্সে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১১ নভেম্বর ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী এবং আইসিসিআরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মৌলানা আবুল কালাম আজাদের জন্মবার্ষিকীতে “বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া অ্যালামনাই রি-ইউনিয়ন ২০২১” শীর্ষক এ প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আইইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মিলনমেলায় প্রায় ২ শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথি হিসেবে ভারতে পড়াশোনা করা অবস্থায় স্মৃতিচারণসহ দুই দেশের বন্ধুত্ব সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো. আক্তারুজ্জামান, বুয়েটের উপ-উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার, বিশিষ্ট নাট্যকার পরিচালক নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনেরর ডেপুটি হাইকমিশনার ড. বিনয় জর্জ, প্রথম সচিব (শিক্ষা) জিষ্ণু প্রসন্ন মুখার্জি।
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আলোচকরা বলেন, ভারত-বাংলাদেশ একই বন্ধনে গাঁথা। সংস্কৃতি থেকে শুরু করে দুই দেশের জনগণের প্রায় সব ক্ষেত্রেই মিল রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে সহায়তা প্রধান করছে। উচ্চশিক্ষার জন্য ভিত্তি প্রদান করছে।
এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিক ভারত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদ (আইসিসিআর), আয়ুর্বেদিক যোগ ইউনানি সিদ্ধ হোমিওপ্যাথি (আয়ুষ), ভারতীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটিইসি) বৃত্তি প্রকল্পসমূহের পাশাপাশি ভারতে অধ্যয়ন (এসআইআই) ও স্ব-অধ্যয়ন প্রকল্প (এসএফএস)। এসব প্রকল্পের অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীই এখন বাংলাদেশে সরকার, প্রশাসন, শিক্ষা, বেসরকারি খাত এবং শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশিষ্ট পদে রয়েছেন৷

সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রায় ১৫০ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী দিবসটি উদযাপনের জন্য এসে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা কীভাবে এ কোর্সগুলো তাদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করেছেন সেসব ভাবনার কথা বলে ভারতের অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন। তারা বর্তমান সময়ের চাহিদা পূরণে বৃত্তি কর্মসূচিগুলো কীভাবে সুন্দরভাবে সাজানো যেতে পারে সে সম্পর্কে মূল্যবান পরামর্শও দিয়েছেন।

ভারত সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা নতুন বৈশিষ্ট্যগুলোকেও এ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়; যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সুবর্ণজয়ন্তী বৃত্তি কর্মসূচি, যা বৃত্তির পরিধিকে আরও বিস্তৃত করে তোলে। এ বছর বাংলাদেশ সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত নতুন স্কিমটি ভারতের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন কোর্স করার জন্য মেধাবীদের ব্যাপক সুযোগ প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ঢাকার রমনায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।