রদ্রিগো ও এস্তেভাওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের ছাড়াই ২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। সেই পরিস্থিতিতে সেলেসাওদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের প্রধান ভরসা ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তিনি প্রত্যাশার প্রতিফলনও দেখিয়েছেন। পাঁচ ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড।
তবে ভিনিসিয়ুসের উজ্জ্বল পারফরম্যান্সও ব্রাজিলকে শেষ ষোলোর বাধা পেরোতে সাহায্য করতে পারেনি। নরওয়ের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। ফলে ২০০২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপ শিরোপার অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো ব্রাজিলের।
দলের এই ব্যর্থতায় ভীষণ হতাশ ভিনিসিয়ুস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ভক্ত-সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং কিছুটা সময় চেয়েছেন নিজেকে সামলে নেওয়ার জন্য।
ভিনিসিয়ুস লিখেছেন, প্রায় চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের তীব্র হতাশা নিয়ে কী বলব, সেই ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
তিনি আরও বলেন, আমি দেখেছি বিভিন্ন বয়সের অসংখ্য মানুষ আমাদের সমর্থন করেছে এবং আমাদের স্বপ্নকে নিজেদের স্বপ্ন হিসেবে বুকে ধারণ করেছে। তাই এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ নীরব থাকাটাও ঠিক হবে না। তবে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য আমার কয়েকটা দিনের প্রয়োজন।
ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার আক্ষেপও রয়েছে তার কণ্ঠে। ভিনিসিয়ুস বলেন, আমি জানি এই টুর্নামেন্টের জন্য কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছি, কতটা মনোযোগ দিয়েছি। আপনাদের জন্য এবং আমার পরিবারের জন্য আমি এই সাফল্য কতটা চেয়েছিলাম, তা ভাষায় বোঝানো কঠিন।
তবে হতাশার মাঝেও ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তিনি বলেন, এই কষ্টটা অনেক গভীর। আমাদের দল যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল এবং আমরা আরও অনেক দূর যেতে পারতাম। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। আমি সবার কাছে ক্ষমা চাইছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আবারও বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরতে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।




