বোয়িং-এয়ারবাসকে টেক্কা দিতে তৈরি রাশিয়া-চীন

89
বোয়িং
Social Share

বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হিসেবে বিশ্বে একচেটিয়া বাজার বোয়িং এবং এয়ারবাসের। এবার রাশিয়া এবং চীন নতুন বিমান বাজারে নামাচ্ছে।

গত বহু দশক ধরে বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হিসেবে গোটা বিশ্বে কার্যত একচেটিয়া বাজার ছিল বোয়িং এবং এয়ারবাসের। পৃথিবীর প্রায় সমস্ত দেশে তাদের তৈরি বিমানই ব্যবহার হয়। এবার তাদের সেই বাজারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে প্রস্তুত রাশিয়া এবং চীন। চলতি বছরের শেষেই বাজারে নতুন বিমান নামাতে চলেছে রাশিয়া। যার নাম এমসি ২১। 

অন্যদিকে, চীনও তাদের নতুন বিমান তৈরি করে ফেলেছে। তাদের বিমানও এবছরের শেষেই বাজারে আসার কথা ছিল। তবে লকডাউন-সহ একাধিক জটিলতার জন্য নতুন বিমান বাজারে নামাতে আরো কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে চীনের সূত্র জানিয়েছে। চীন যে নতুন মডেলের বিমানটি বানিয়েছে, তার নাম কোম্যাক সি ৯১৯।

১৯৬৭ সাল থেকে বিমানের বাজারে একাধিপত্য চালাচ্ছে বোয়িং। ১৯৮৭ সালে বাজারে আসে এয়ারবাস। এই দুই সংস্থাই গত কয়েক দশক কার্যত বিমানের বাজার নিয়ন্ত্রণ করেছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন অবশ্য এক সময় এই দুই সংস্থার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। এখনো রাশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সাবেক বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা আছে। কিন্তু গোটা বছরে তারা ১৪টি বিমান তৈরি করতে পারে। যেখানে সব ঠিক থাকলে বোয়িং বা এয়ারবাস দিনে ওই পরিমাণ বিমান তৈরি করে।

বিমান বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এবার সেই ইতিহাস বদলাতে চলেছে। রাশিয়ার নতুন বিমান বোয়িং এবং এয়ারবাসকে সমানে সমানে টেক্কা দেবে। আগামী গ্রীষ্মে বিমানটির চূড়ান্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা। ইতোমধ্যেই যাত্রী পরিবহনের সার্টিফিকেট তারা পেয়ে গেছে। দুইটি ক্লাস মিলিয়ে বিমানটিতে মোট ১৬৭ জন যাত্রী বসতে পারেন। 

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বিমানটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে সফল হলে বোয়িং এবং এয়ারবাসকে সব দিক থেকেই চ্যালেঞ্জ জানাবে এটি। নতুন বিমানে ফিচার অনেক বেশি। দামও প্রতিযোগিতামূলক।

চীনের বিমানটি নিয়ে অবশ্য এখনো সমস্ত তথ্য বাইরে আসেনি। তবে ওই বিমানটিও প্রতিযোগিতায় সকলকে চ্যালেঞ্জ জানাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

……………………………………………………………………………………………..

বিমান বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এবার সেই ইতিহাস বদলাতে চলেছে। রাশিয়ার নতুন বিমান বোয়িং এবং এয়ারবাসকে সমানে সমানে টেক্কা দেবে। আগামী গ্রীষ্মে বিমানটির চূড়ান্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা। ইতোমধ্যেই যাত্রী পরিবহনের সার্টিফিকেট তারা পেয়ে গেছে। দুইটি ক্লাস মিলিয়ে বিমানটিতে মোট ১৬৭ জন যাত্রী বসতে পারেন। 

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বিমানটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে সফল হলে বোয়িং এবং এয়ারবাসকে সব দিক থেকেই চ্যালেঞ্জ জানাবে এটি। নতুন বিমানে ফিচার অনেক বেশি। দামও প্রতিযোগিতামূলক।

চীনের বিমানটি নিয়ে অবশ্য এখনো সমস্ত তথ্য বাইরে আসেনি। তবে ওই বিমানটিও প্রতিযোগিতায় সকলকে চ্যালেঞ্জ জানাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।