টাঙ্গাইল-৪ আসনের এমপির বৈধতা প্রশ্নে রিট

103
বৈধতা
Social Share

হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার গড়মিলের অভিযোগ এনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খানের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

এ তথ্য জানিয়েছে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান। তিনি হলফনমায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবরে চিঠি দেন। বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সেটি না হওয়ায় তিনি ওই চিঠি নিষ্পতিতে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার গড়মিলের অভিযোগ এনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খানের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

এ তথ্য জানিয়েছে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান। তিনি হলফনমায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবরে চিঠি দেন। বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সেটি না হওয়ায় তিনি ওই চিঠি নিষ্পতিতে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার গড়মিলের অভিযোগ এনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খানের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান। তিনি হলফনমায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবরে চিঠি দেন। বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সেটি না হওয়ায় তিনি ওই চিঠি নিষ্পতিতে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান। তিনি হলফনমায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবরে চিঠি দেন। বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সেটি না হওয়ায় তিনি ওই চিঠি নিষ্পতিতে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।