‘বিরোধীদের দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে সরকার’

106
বিরোধীদের
Social Share

বিরোধীদের দমনে সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক ছাত্রদল নেতাকে দেখার পর সাংবাদিকদের সাথে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, এই সরকার মূলত সম্পূর্ণভাবে ফ্যাসিবাদী এক নায়কতন্ত্রের বিশ্বাসী একটি সরকার। তারা কোনো ধরনের ভিন্নমত বা ভিন্ন চিন্তা-ভাবনা সহ্য করে না। যার ফলে তারা গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধবংস করে দিয়ে এবং অন্যায়ভাবে, বেআইনিভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ করে পুলিশকে ব্যবহার করে তাদের ক্ষমতাকে ধরে রাখতে চায়, দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায়- সেই লক্ষ্যেই তারা কাজ করে চলেছে।

 

তিনি বলেন, আমরা আবারও বলছি, জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যদিয়ে এই সরকারকে সরানো হবে এবং এই নির্যাতন-নিপীড়নের প্রতিত্তোর জনগণই দেবে।

পুরে রাজধানীর সবুজবাগে ‘হেলথ এইড ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতালে’ গত ২২ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের সমাবেশে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব। হবিগঞ্জে গুরুতর আহত হওয়ার পর প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে পরে ঢাকায় তাকে নিয়ে আসা হয়।

তিনি চিকিৎসকদের কাছ থেকে তার শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে জানেন। রাজিবের সারা শরীরে পুলিশের ছোঁড়া রাবার ‍বুলেটের ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা নিজেরা দেখেছেন, তার (রাজিব) সমস্ত শরীর গুলিবিদ্ধ হয়েছে। লাকিলি তার চোখটা বেঁচে গেছে। তবে মুখে পিঠে, বুকে সমস্ত জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এটা আমাদের কাছে মনে হয়েছে যে, এটা হত্যার উদ্দেশ্যে এই ধরনের গুলিবর্ষণ করা হয়েছে।

এসময় মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি শাম্মী আখতার, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নেতা হাবিবুর রশীদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ প্রদানের দাবিতে গত ২২ ডিসেম্বর বিএনপি হবিগঞ্জে সমাবেশ আহ্বান করে। ওই সমাবেশে পুলিশ অতর্কিতে হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। এতে ছাত্রদলের শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, আবদুল আহাদ তুষার, সাইদুর রহমানসহ অন্তত শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।

ওই সমাবেশে পুলিশ অতর্কিতে হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। এতে ছাত্রদলের শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, আবদুল আহাদ তুষার, সাইদুর রহমানসহ অন্তত শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।