ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে যা জানাল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ

76
সীমান্তরক্ষী
Social Share

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ -এর এডিজি ওয়াই বি খুরানিয়া আজ বুধবার জানিয়েছেন, ‘‘আইনে বিএসএফ-এর ক্ষমতা খুবই সীমিত। কেন্দ্র অতিরিক্ত কোনও ক্ষমতা দেয়নি। নতুন বিজ্ঞপ্তির জেরে কেবল এলাকার সীমা ১৫ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৫০ কিলোমিটার হয়েছে। আগের মতোই পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবে বিএসএফ।’

সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, পাঞ্জাব, আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর এখতিয়ার ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করা হবে। এই এলাকার মধ্যে তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত এবং গ্রেফতার করতে পারবে বিএসএফ। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই সরব হয় পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিংহ চন্নী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে একাধিক চিঠিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদিকে। মঙ্গলবারই বিধানসভায় ভোটাভুটিতে পাশ হয়েছে বিএসএফ-এর এখতিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আনা প্রস্তাব।

আজ বিএসএফ-এর এডিজি ওয়াই বি খুরানিয়া দাবি করেছেন, আগে যেমন পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করত বিএসএফ, ভবিষ্যতেও তেমনই চলবে। আমরা তদন্তকারী সংস্থা নই। বিএসএফ-এর এফআইআর করার ক্ষমতা নেই। আইনে বিএসএফ-এর ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। কাজের সীমানা বাড়লেও বাকি সব অধিকার একই থাকবে। আমাদের কাজ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোখা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বিএসএফ-এর কাজ নয়। বরং দেশের মানুষকে নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে বিএসএফ প্রথম সারিতে।’’

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর এডিজি ওয়াই বি খুরানিয়া আজ বুধবার জানিয়েছেন, ‘‘আইনে বিএসএফ-এর ক্ষমতা খুবই সীমিত। কেন্দ্র অতিরিক্ত কোনও ক্ষমতা দেয়নি। নতুন বিজ্ঞপ্তির জেরে কেবল এলাকার সীমা ১৫ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৫০ কিলোমিটার হয়েছে। আগের মতোই পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবে বিএসএফ।’

সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, পাঞ্জাব, আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর এখতিয়ার ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করা হবে। এই এলাকার মধ্যে তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত এবং গ্রেফতার করতে পারবে বিএসএফ। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই সরব হয় পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিংহ চন্নী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে একাধিক চিঠিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদিকে। মঙ্গলবারই বিধানসভায় ভোটাভুটিতে পাশ হয়েছে বিএসএফ-এর এখতিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আনা প্রস্তাব।

আজ বিএসএফ-এর এডিজি ওয়াই বি খুরানিয়া দাবি করেছেন, আগে যেমন পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করত বিএসএফ, ভবিষ্যতেও তেমনই চলবে। আমরা তদন্তকারী সংস্থা নই। বিএসএফ-এর এফআইআর করার ক্ষমতা নেই। আইনে বিএসএফ-এর ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। কাজের সীমানা বাড়লেও বাকি সব অধিকার একই থাকবে। আমাদের কাজ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোখা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বিএসএফ-এর কাজ নয়। বরং দেশের মানুষকে নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে বিএসএফ প্রথম সারিতে।’’