বিএনপি সত্য কথা বলতেও ভয় পায় : জাফরুল্লাহ

52
Social Share

অগণতান্ত্রিক এই সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে ছোট ছোট সব দলকে মিলে এক হতে হবে বলে আহ্বান জানিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের জন্য ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। একজন মৃত ব্যক্তির জন্য ১৫ দিনের কর্মসূচি করছে, আর জীবিত খালেদা জিয়ার অবস্থা খুব খারাপ। উনার যেসব লক্ষণ দেখছি আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সময় পাবেন কি-না যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আমরা দোয়া করি যেন উনি বেঁচে থাকেন। বিএনপি সত্য কথা বলতেও ভয় পায়। এটার জন্য তাদের উচিত ছিল, যেদিন থেকে সরকার তাকে বাইরে যেতে দেয়নি সেদিন থেকে অনশন করা।

আজ শনিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেজর হায়দার মিলনায়তনে গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত এক আলোচনাসভায় এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা এ পর্যন্ত আসার পেছনে জিয়াউর রহমানের চেয়ে খালেদা জিয়ার অবদান বেশি। জিয়াউর রহমান অকালে প্রয়াণ করেছেন। আপনারা যখন হতাশায় ভুগছিলেন, কোনো পথ ছিল না, এই সাধারণ একজন গৃহবধূ আপনাদের একত্রিত করেছেন। আপনাদের দুইবার ক্ষমতায় এনেছেন। বিএনপির লোকেরা খালেদা জিয়ার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে বলে আমি মনে করি। এজন্য তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম রাজনীতির জন্য বা জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে জীবন দিয়েছেন। এরকম জীবন দেওয়ার জন্য ১০০ কর্মী এগিয়ে আসলে আজকের অবস্থার পরিবর্তন হবে। এই নেতাকর্মীদের দায়িত্ব নিতে হবে। প্রয়োজনে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে একটি তহবিল গঠন করতে হবে যেখান থেকে হামলা-মামলা, চিকিৎসা ও পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া যায়।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে মন্ত্রণালয়ের তহবিল ব্যবহার করে সব জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন দেওয়া একটি দুর্নীতি। এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা দরকার।

অ্যাড. আবদুস সালামের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘গণতন্ত্র ও গণমানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা কোন পথে’ শীর্ষক এ আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওর্য়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাক আহমেদ এবং গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান রুবেল।