বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত একই সূত্রে গাথা: ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ

43
Social Share
স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে আজকে যখন আমরা বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উৎযাপন করছি, এখন যদি আমরা ৫০ বছর আগের এপ্রিলের আজকের দিনে আমাদের চ্যালেঞ্জগুলো কি? আমরা খেয়াল করলে দেখতে পাবো যে কিছু চ্যালেঞ্জ নতুন, কিছু চ্যালেঞ্জ আগের জায়গায় রয়ে গেছে। আমাদের এই বিশ্বাস আছে যে এই যুদ্ধেও আমরা উৎরিয়ে যাবো এবং তার আলামত ইতোমধ্যে আমরা দেখতে শুরু করেছি। আমরা আসলেই সৌভাগ্যবান যে এই যুদ্ধে আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৩১৬তম পর্বে বুধবার আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় লিভার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, ইসলমী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহিনূর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল দাস।
ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ বলেন, আজকের ভোরের পাতা সংলাপের আলোচনার বিষয়বস্তু একটি বারনিং ইস্যু। এইযে মৌলবাদ উগ্র জঙ্গিবাদ এবং ইসলামের নামে রাজনীতি করে মানুষের মধ্যে সহিংসতা সৃষ্টি করে দেশের মধ্যে একটা অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে তারা। হেফাজতে ইসলামসহ এ দেশের উগ্রধর্মীয় সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তুলনা চলে একমাত্র হায়েনাদের সঙ্গে। আমরা আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই দেশটাকে কি জন্য স্বাধীন করেছিলাম? পরাজিত শৃঙ্খলতার থেকে মুক্ত পাওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা এখনো কি স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছি। সেই একাত্তরের পরাজিত শক্তি আর এখন কার যে প্রেতাত্মারা রয়েছে তারা কিন্তু একই সূত্রে গাথা।  ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ছিল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে কেন্দ্র করে। আসা ঠেকাতে পারেনি কিন্তু হেফাজতের তাণ্ডবে ১৮/১৯ টা তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। আর্মির গাড়িকেও অবরুদ্ধ করে রাখার পেশি শক্তি দেখিয়েছে। সোনারগাঁও রিসোর্টে মামুনুল হকের কেলেঙ্কারি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ। তার অসংলগ্ন কথাবার্তা ধর্মভীরু মানুষকেও আহত করেছে। ইসলাম ও  কোরআনের অপব্যাখ্যা দিয়ে তিনি এখন শ্রীঘরে। ২০২১ সাল নয় এদেশে একাধিকবার মৌলবাদী শক্তি সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটিয়েছে। মামুনুল হকের নারী কেলেঙ্কারির কথা জেনেও তাকে প্রশ্রয় ও সমর্থন দেওয়ার মধ্য দিয়ে হেফাজত এটা সংগঠনগতভাবেই পরিষ্কার করেছে যে তারা প্রচলিত নীতি নৈতিকতার ধার ধারে না। এজন্য এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন ও জিরো টলারেন্সের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলতে হবে আমাদের।