বাঙালির শাণিত চেতনার বাতিঘর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : মোস্তাফা জব্বার

9
Social Share

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বৈষম্য, শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির শাণিত চেতনার বাতিঘর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের এক অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, ‘দেশের আর কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সফল নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে সাফল্যের সোনালী সৈকতে পৌঁছে দিতে পেরেছে এমন দৃষ্টান্ত আর একটিও নেই। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার মূল সূতিকগার ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এই আন্দোলনের মূল স্থপতি বাঙালির রাজনীতি আকাশের তেজদীপ্ত সূর্যরশ্মি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির যাত্রা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সমর্থন প্রদানের মধ্য দিয়ে।’
মন্ত্রী শনিবার রাতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই ক্লাব আয়োজিত অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, বীরমুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু,, বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান এবং এলামনাই এসোসিয়েশন সদস্য বিধান গুস্বামীসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন। এলামনাই সদস্য তানভির আহমেদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশ ইতিহাসে একই সূত্রে গাঁথা উল্লেখ করে বলেন, এদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ভূমিকা জাতির অহংকার।
নাসির উদ্দিন ইউসুফ বলেন, এদেশের ইতিহাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা জাতির ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। প্রবাসে বসবাসবাসকারী বাংলাদেশীদের সামনে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশের অসাধারণ অগ্রগতির বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের টেলিকমিউনিকেশন ও ডিজিটাইজেসনের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, এমন অগ্রগতি এই সময়ে আমাদের কাতারের কোন দেশ করতে পারেনি। তিনি প্রবাসী বাঙালীদেরকে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ এবং তাদের মা, মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন না করার পরামর্শ দেন। তিনি প্রবাসীদের বাংলাদেশে ডিজিটাল শিল্প খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।