বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে ফের রকেট হামলা

Social Share

শুক্রবার মার্কিন হামলা ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান কাসেম সোলাইমানিসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর দুনিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে এক চাপা আতঙ্ক। কিভাবে ইরান এর প্রতিশোধ নেবে তা জানার জন্য যুক্তরাষ্ট্র শুরু করেছে নানান পরিকল্পনা। এমন অবস্থায় বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসের দিকে (বাগদাদের গ্রিন জোন) উড়ে এসেছে পরপর কয়েকট মিসাইল। মার্কিন সেনাদের দ্বারা ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পরে এ নিয়ে পরপর দু’রাতে এই দূতাবাসে হামলা করা হয়েছে। তবে কোনোক্রমে বেঁচে গিয়েছে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস।

সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদের গ্রিন জোনে রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ছয়টি কাতিউশা মডেলের রকেট দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। ইরাকি সেনা বাহিনী জানিয়েছে, এর মধ্যে তিনটি রাজধানীর গ্রিন জোনের সরকারি ভবন ও বিদেশি মিশনে আঘাত হেনেছে। বাকি তিনটি রকেট কাছাকাছি জাদরিয়া এলাকায় আঘাত হেনেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এসব হামলায় ছয়জন আহত হয়েছে।

বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে কাছে এই রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে একটুর জন্য বেঁচে গেছে মার্কিন দূতাবাস। স্থানীয় রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই মিসাইলগুলি একটি অ্যাপার্টমেন্টে আঘাত করে। এর ফলে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ মারা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের বাসিন্দারা বলেছেন, ভারী-দুর্গের গ্রিন জোনের ভিতরে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আগেই জানিয়েছিলেন, শহীদ সোলাইমানি একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁদের প্রতিটি সেনা বদলা নিতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি হুঙ্কার দিয়েছিলেন, সকল বন্ধু ও শত্রুর জেনে রাখা উচিত জেনারেল সোলাইমানির মৃত্যুর পর দ্বিগুণ উৎসাহে প্রতিরোধ আন্দোলন এগিয়ে যাবে এবং এই আন্দোলনের বিজয় অনিবার্য। আর সেক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের বিনাশ অনিবার্য।

এদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতার এই হুঁশিয়ারিকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চাইছেন না সামরিক গবেষকরা। আর তাই এভাবেই ইরান হয়তো প্রতিশোধ নেওয়ার দিকে পা বাড়াচ্ছে বলেও মনে করছে।

সূত্র : এএফপি, ওয়েবসাইট