বাকশালের সদস্যদের মধ্যে জিয়াউর রহমানও ছিলেন: মোস্তাফা জব্বার

‘বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী গণমাধ্যমের ভূমিকা ও রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
Social Share

বেঙ্গলী ও বিজেএসসির যৌথ আয়োজনে শনিবার রাতে ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী গণমাধ্যমের ভূমিকা ও রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশ বিরাজ করার ওপর নির্ভর করেই সংবাদপত্র এবং তার স্বাধীনতার বিষয়গুলোকে ব্যাখ্যা করার দরকার রয়েছে। বাকশালের সময় বঙ্গবন্ধু সংবাদপত্রের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু কমিয়ে দেওয়ার পরেও সংবাদপত্র থেকে যারা বেকার হয়েছিলেন তাদের কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে সকল রকমের ইতিবাচক পদক্ষেপ তার সকলটাই বঙ্গবন্ধু করেছিলেন। কেউ যদি বিশ্বপেক্ষিত না বুঝেন তারপক্ষে এটিও বুঝা কঠিন বঙ্গবন্ধু কেন দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন? কেন বাকশাল গঠন করেছিলেন? এবং যে কথাগুলো আজ বিরোধীরা বলেন-এই বাকশালের সদস্যদের মধ্যে মিস্টার জিয়াউর রহমানও ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর গণমাধ্যমের গণতান্ত্রিক চর্চা পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায় এবং সত্যিকার অর্থেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়।

বেঙ্গলী টিভির পরিচালক ইসরাফিল ফরাজীর পরিকল্পনায় উক্ত আয়োজনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মফিজুর রহমান ও দৈনিক ইত্তেফাকের অনলাইন ইনচার্জ এস. এম. আমানূর রহমান রাফাত।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিজেএসসি’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাবিদ হাসান ফাহিম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দৈনিক খোলা কাগজের সিনিয়র রিপোর্টার শাহাদাৎ স্বপন।

সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান: https://www.youtube.com/watch?time_continue=3131&v=SvcTrTKdMBk