বাংলাদেশের অর্থনীতি -জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বের বিস্ময়

Social Share

বিশেষ প্রতিবেদন:

পত্রিকাগুলোর অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সন ঘেটে দেখা গেছে, দ্য হিন্দ, টাইমস অব ইন্ডিয়া, দৈনিক আজকাল, কলকাতা থেকে প্রকাশিত এবেলা, সংবাদ প্রতিদিন, দ্য এশিয়ান এইজ, দ্য টেলিগ্রাফ এই খরবটি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে। সেখানে বাংলাদেশের স্তুতি গাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে আইএমএফ-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ (ডব্লিউইও)। তাতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে (যা ২০২১ সালের মার্চে শেষ হচ্ছে) ভারতের মাথাপিছু জাতীয় উৎপাদন দাঁড়াবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকার কিছু বেশি। সেখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় উৎপাদন হবে ১ হাজার ৮৮৮ ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। আইএমএফ আশঙ্কা করছে, গত চার বছরে এটাই রেকর্ড পতন হতে চলেছে। গত জুন মাসেই আইএমএফ জানিয়েছিল, ভারতের জিডিপি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। তার মাস চারেকের মাথায় আন্তর্জাতিক ওই সংস্থার রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, চলতি বছরে জিডিপির হারে ভয়াবহ পতন ঘটতে পারে। অর্থনীতির এই মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ কী? এর কারণ হিসেবে করোনা এবং তার জেরে টানা লকডাউনকেই চিহ্নিত করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তার জেরে অর্থনীতির স্বাভাবিক চলন যে জোর ধাক্কা খেয়েছে তা মানছেন সবাই।

বর্তমানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থনীতি আগেই টলমল। এবার আরও খারাপ খবর শোনাল আইএমএফ। চলতি অর্থবর্ষে মাথাপিছু জিডিপিতে বাংলাদেশও পিছনে ফেলতে পারে ভারতকে। মঙ্গলবারই ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আইএমএফ। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি সংকোচন হবে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। সেই নিরিখেই বাংলাদেশের নিচে চলে যাবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মাথাপিছু জাতীয় উৎপাদন। বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর তুলনায় সব থেকে বেশি সংকুচিত হবে ভারতীয় অর্থনীতি।