বহু প্রত্যাশার করোনার টিকা এখন বেক্সিমকোর গুদামে

51
Social Share

বহু প্রত্যাশিত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে আনা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৫০ লাখ ডোজ করোনার টিকা এখন গাজীপুরে। আজ সোমবার দুপুরে ভারত থেকে টিকাবাহী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এসে পৌঁছানোর পর আনুষ্ঠানিকতা শেষে টঙ্গীর বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস কারখানার ওয়্যারহাউজে এনে রাখা হয়। বেক্সিমকোর সাতটি বিশেষ ফ্রিজার কাভার্ডভ্যানে করে বেলা একটার দিকে ভ্যাকসিনগুলো পৌঁছায় টঙ্গীর বেক্সিমকোর গুদামে।

বেক্সিমকোর ফার্মাসিটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা জানান, বিমানবন্দর থেকে ৭টি ফ্রিজিং কাভার্ডভ্যানে করে ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) ডোজ টিকা আনা হয়েছে। টিকার রাখার জন্য নতুন দইিটি গুদাম তৈরি করা হয়। এ ছাড়া পুরনো একটি গুদামও রয়েছে। নতুন ১নং গুদামে ৬ মিলিয়ন এবং ২নং গুদামে ৮ মিলিয়ন ডোজ টিকার ধারন ক্ষমতা রয়েছে। প্রয়োজন হলে পুরনো গুদামটিও ব্যবহার করা যাবে। সেখানে ১৫ মিলিয়ন ডোজ টিকা সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ ডোজ তিনটি ব্যাচে এসেছে। এই তিনটি ব্যাচের স্যাম্পলই দেশের ওষধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে’ পাঠানো হবে। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ওষুধ প্রশাসন থেকে ছাড়পত্র পেলে দেশের ৬৪টি জেলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে টিকা পাঠানোর প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।

তিনি আরো জানান, প্রতিটি কার্টুনে ১২০০ ভায়াল বা ১২ হাজার ডোজ টিকা আছে। ১২০০ ভায়াল মাল্টিপল ডোজ হিসেবে যাবে বিভিন্ন জেলায়। সরকারকে তারা এভাবে মাসে ৫০ লাখ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবেন। কোনো ডোজ ড্যামেজ পাওয়া গেলে তা বেক্সিমকোর নিজস্ব খরচে ফেরত আনা হবে এবং সাথে সাথে সেরাম ইনস্টিটিউটকে অবহিত করা হবে। প্রতিটি ড্যামেজ ডোজের পরিবর্তে বেক্সিমকোর নিজস্ব খরচে রিপ্লেস (নতুন ডোজ স্বস্থানে পাঠানো হবে) করা হবে।