বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

68
বঙ্গবন্ধু সামরিক
Social Share

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এ জাদুঘরের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সেনা, নৌ এবং বিমানবাহিনী সম্পর্কে শিশু ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এই সামরিক জাদুঘর বিশেষ ভূমিকার রাখবে। যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং বিভিন্ন সময় দেশের জন্য বিশেষ অবদান রেখেছেন, দেশে-বিদেশে শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করেছেন তাদের জন্য একটি প্রেরণা ও আত্মতৃপ্তির জায়গা হবে এই বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর।

রাজধানীর বিজয় সরণীতে অবস্থিত জাদুঘরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনীপ্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। এছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আইনপ্রণেতা, উচ্চ পর্যায়ের বেসামরিক এবং সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর প্রধানসহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।  এ সময় তিনি এই জাদুঘরকে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।

বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারের পশ্চিমে ১০ একর জমির ওপর নির্মিত হয়েছে জাদুঘরটি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ও পরে সেনাবাহিনী ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম এখানে প্রদর্শিত হবে। জাদুঘরটি মোট ছয়টি অংশে বিভক্ত। এরমধ্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর জন্য নিজস্ব পৃথক গ্যালারি রয়েছে।

রাজধানীর বিজয় সরণীতে অবস্থিত জাদুঘরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনীপ্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। এছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আইনপ্রণেতা, উচ্চ পর্যায়ের বেসামরিক এবং সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর প্রধানসহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।  এ সময় তিনি এই জাদুঘরকে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।

বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারের পশ্চিমে ১০ একর জমির ওপর নির্মিত হয়েছে জাদুঘরটি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ও পরে সেনাবাহিনী ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম এখানে প্রদর্শিত হবে। জাদুঘরটি মোট ছয়টি অংশে বিভক্ত। এরমধ্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর জন্য নিজস্ব পৃথক গ্যালারি রয়েছে।