“বঙ্গবন্ধু পাঠচক্র” এর  সৌজন্যে জাতীয় শোক দিবস পালিত।।

Social Share

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী মহান স্বাধনীতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমনের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেছে “বঙ্গবন্ধু পাঠচক্র” মহেশপুর উপজেলা শাখা। সূর্যোদয় সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু পাঠচক্রের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে তবারুক বিতরন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু পাঠচক্রের সভাপতি জাহাঙ্গির অালম মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন দিন থেকে পরিচালিত বঙ্গবন্ধু পাঠচক্রের অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পাঠচক্রের সাধারন সম্পাদক এবং সরকারী বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কলেজ ছাত্রলীগের অাহ্বায়ক জাহাঙ্গির অালম, সদস্যদের মধ্যে সোহাগ খান, অালমগীর হোসেন, মেহেদী হাসান, সোহেল রানা, মন্জু সরকার, কালাম খান, হাবিবুর রহমান, রফিকুল খন্দকার, অাব্দুল সেলিম, রায়হান খান, অাজগার, জসিম উদ্দীন, অারও অনেকে।।

বঙ্গবন্ধু পাঠচক্র মহেশপুর উপজেলা শাখা ২০১৫ সালে শুভ উদ্ধোধন করেন ঝিনাইদহ-০৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জননেতা জনাব মোঃ নবী নেওয়াজ। তিনি বলেন ঝিনাইদহ-৩ মহেশপুর ও কোটচাদপুর উপজেলা বি এন পি জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এই অাসনটিকে অাওয়ামী লীগের ঘাটি করতে হলে বি এন পি- জামায়াতের কাউকে জোর করে অাওয়ামী লীগার বানানো যাবেনা। ছাত্র-ছাত্রী এবং নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানানোর মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে পরিবর্তন অানা সম্ভব। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকায় উন্নয়নের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু পাঠচক্রের মাধ্যমে আমার নিজস্ব অর্থায়নে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ  সম্পর্কে বিভিন্ন লেখকের বই, এ্যালবাম, শিক্ষা উপকরন  পৌছে দিয়েছি এবং প্রতি বছর কুইজ প্রতিযোগীতার অনুষ্ঠান করেছি। সাথে সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের চিত্র, মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত বিভিন্ন ডকুমেন্টারি, বিভিন্ন গান, প্রামাণ্যচিত্র, স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর রচিত সিনেমা, বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাৎকার, স্কুল, কলেজে, হাট-বাজারে প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রচার করেছি। এই এলাকার মানুষ জামায়াত,মওদুদী,গোলাম আযমের বই দিয়ে মানুষের মগজ ধোলাই করেছিল। আর এদেরকে সঠিক পথে ফেরানোর জন্য আমি গঠন করেছিলাম “বঙ্গবন্ধু পাঠচক্র”। আমি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সাংবাদিক, সংস্কৃতি কর্মী, ছাত্র-ছাত্রী ও বিশিষ্ট ব্যাক্তদের মাধ্যমে সংগঠনটি পরিচলনা করে আসছি। যার মাধ্যমে ছাত্রলীগ তথা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বিনামূল্য বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত অাত্বজীবনী,  বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কিত বই পাবে, পড়বে,জানবে এবং প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে পুরস্কার জিতবে। ফলে নতুন প্রজন্ম ইতিহাস জেনে সঠিক চলার পথ নির্ধারন করতে পারবে।  আর এতে এ অঞ্চলের আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠন শক্তিশালী  হবে। ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭ সালের ন্যায় ২০১৮ সালেও সরকারী বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কলেজ মাঠে কুইজ প্রতিযোগীতার অনুষ্ঠানে  সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান নূর এমপি সাহেব উপস্থিত হয়ে পুরস্কার বিতরণ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি সঠিকভাবে পরিচালিত হলে ইতিহাস বিকৃতির প্রবনতা দূর হবে। এই অঞ্চলের নতুন প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানবে এবং যুব সমাজ মাদক মুক্ত সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে সঠিক দিক নির্দেশনা পাবে।