প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ, উনি দারুণ, এই সাহায্য কোনওদিন ভুলব না, হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন সরবরাহ নিয়ে বললেন ট্রাম্প

Social Share
সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, সমস্যা তৈরি হওয়ায় আমরা যা চেয়ে অনুরোধ করেছিলাম, সেটা আমাদের পাওয়ার অনুমতি দেওয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে চাই। উনি দুর্দান্ত, দারুণ। আমরা মনে রাখব।

ওয়াশিংটন: প্রথমে হুঁশিয়ারি প্রত্যাঘাতের, তারপর হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন সরবরাহের আশ্বাস পেয়ে নরেন্দ্র মোদিকে ‘গ্রেট’ বলেছেন, এবার দরাজ গলায় তাঁকে ম্যালেরিয়ার ওষুধ পাঠাতে রাজি হওয়ায় ধন্যবাদ জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর এহেন সাহায্য কোনওদিন ভোলা যাবে না বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনকে আপাতত নোভেল করোনাভাইরাস মোকাবিলার সম্ভাব্য দাওয়াই বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, ভারত এই ওষুধ না পাঠালে প্রত্যাঘাত হবে। তারপরই কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণ দেখিয়ে ভারত তা পাঠাতে রাজি হয়।

সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, সমস্যা তৈরি হওয়ায় আমরা যা চেয়ে অনুরোধ করেছিলাম, সেটা আমাদের পাওয়ার অনুমতি দেওয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে চাই। উনি দুর্দান্ত, দারুণ। আমরা মনে রাখব।
তার আগে ট্যুইট করেও ট্রাম্প মোদির শক্ত নেতৃত্বের প্রশংসা করে সঙ্কটের সময় ভারতের সাহায্যের কথা কোনওদিন ভুলবেন না জানান। লেখেন, যখন অভূতপূর্ব পরিস্থিতি আসে, তখন বন্ধুদের মধ্যে আরও গভীর সহযোগিতার দরকার হয়। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে এই সিদ্ধান্তের জন্য ভারত, ভারতের মানুষকে ধন্যবাদ। এটা ভুলব না। শুধু ভারত নয়, গোটা মানবজাতিকে সাহায্য করছেন আপনারা।
গত সোমবার ভারত আমেরিকাকে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পাঠানোয় নিষেধাজ্ঞা তুলতে রাজি হয়। তিনটি গুজরাতের কোম্পানি আমেরিকায় তা রপ্তানি করবে।

গোটা দুনিয়ার মোট হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন উত্পাদনের ৭০ শতাংশই ভারতে হয় বলে জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান ফারমাসিউটিক্যাল অ্যালায়েন্সের সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন জৈন। প্রতি মাসে দেশের ৪০ টন হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন উত্পাদনের ক্ষমতা আছে। যার অর্থ ২০০ এমজি পাওয়ারের ২০ কোটি ট্যাবলেট।