প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কৃষক লীগের র‌্যালি ও সমাবেশ

1
Social Share

ধান-চাল ক্রয় কমিটিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধি সম্পৃক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে র‌্যালি নিয়ে ৩২ নম্বর ধানমন্ডি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ ছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং থানা-ওয়ার্ড নেতারা এতে অংশ নেয়। শহীদ মিনার থেকে শুরু হওয়া র‌্যালিটি প্রায় আড়াই কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ ছিল। এটাই ছিল নতুন কমিটির সবোর্চ্চ সমাবেশ।

 

কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, সহ-সভাপতি শরীফ আশরাফ আলী, মোহাম্মদ মাহবুব উল আলম, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, আশা লতা বৈদ্য, এস এম আকবর আলী চৌধুরী, হোসনে আরা, আব্দুল ওয়াদুদ, আব্দুল লতিফ তারিন, মোস্তফা কামাল চৌধুরী, কৃষিবিদ ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বি এম জয়নাল আবেদীন, এম এ মালেক, মো. আবুল হোসেন, কৃষিবিদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম ও মো. মকসুদুর ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ বিশ্বনাথ সরকার বিটু, অ্যাড শামীমা শাহরিয়া, একেএম আজম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কৃষিবিদ ডক্টর হাবিবুর রহমান মোল্লা, সৈয়দ সাগির উজ্জামান, শাকিলুর রহমান রানা, নূরে আলম সিদ্দিকী হক ও অধ্যাপক মো. নাজমুল হক পানু, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির মিয়া, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক নাসির, আইন বিষয়ক সম্পাদক জুহির উদ্দিন মিলন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শেখ ফারুক আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা সুলতানা, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মো. আহসান হাবীব, কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহিনুর রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মিয়াজী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ মো. শামসুদ্দিন আজাদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আজমল হোসেন, দক্ষিণের সভাপতি সালাম বাবু, উত্তরের সভাপতি আব্দুল হালিম খান বক্তৃতা করেন।

সমাবেশের আগে সমীর চন্দ বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর স্থপত্য নিয়ে কথা বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাদের বাংলার মাটিতে স্থান নেই। তাদের বিরুদ্ধে শ্লোগান হবে পাকিস্তানের রাজাকার পাকিস্তানে চলে যাও। বঙ্গবন্ধুর স্থাপত্য নিয়ে কোনো পাকিস্তানি প্রেতাত্মা ষড়যন্ত্র করে সারাদেশের কৃষক সমাজ কৃষক লীগের নেতৃত্বে তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো।

তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। দেশের স্বাধীনতা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম নেতৃত্বকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি বলেন, ৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিকে এগিয়ে নিতে কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শেখ হাসিনা ৯৬ সালে প্রথম ক্ষমতায় এসে ৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে কৃষকদের কল্যাণে কাজ করেছেন।

ধান-চাল ক্রয় কমিটিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধি সম্পৃক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। এসময় সংগঠনের নেতারা খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।