আমরা প্রতিযোগী নই , ভারত বাংলাদেশের সহযোগী

শিগগিরই সভা করবে ভারত-বাংলাদেশ সিইও ফোরাম

75
প্রতিযোগী নই
Social Share

ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পিযুষ গয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশের প্রতিযোগী নই, সহযোগী হিসেবে কাজ করছি। দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারকে পরামর্শ দিতে শীর্ষ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের নিয়ে সিইও ফোরাম গঠন করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। বিনিয়োগ বাড়াতে ভারত-বাংলাদেশ সিইও ফোরাম শিগগিরই সভা করবে বলে জানিয়েছেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পিযুষ গয়াল।

তিনি বলেছেন, আমরা বাংলাদেশের প্রতিযোগী নই, সহযোগী হিসেবে কাজ করছি। ২০১৪ সাল থেকে আমাদের দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা অনেক বাড়িয়েছি। রবিবার বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে পিযুষ গয়াল এসব কথা বলেন। রবিবার ঢাকায় দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট শুরু হয়েছে। সামিট উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২১ সালে দুই দেশের মোট বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। আমরা এখন ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির দিকে অগ্রসর হতে চাইছি।

তিনি বলেন, করোনাকালে ‘ভ্যাকসিন মৈত্রীতে’ দুই দেশের বন্ধুত্বের পুনরায় প্রতিফলন ঘটেছে। এছাড়া ভারত বাংলাদেশকে ৮ বিলিয়ন ডলারের তিনটি লাইন অব ক্রেডিট প্রসারিত করেছে৷ এটা যে কোনো একক দেশকে ভারতের দেওয়া সবচেয়ে বড় ঋণ ছাড়।

তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সিইও ফোরাম দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। শিগগিরই এই ফোরামের প্রথম সভা করার জন্য আমরা এগিয়ে চলেছি।

পিযুষ গয়াল বলেন, বাংলাদেশের মিরসরাই এবং মংলায় ২ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করছে ভারত। এছাড়া ৩৫০টিরও বেশি ভারতীয় কম্পানি বাংলাদেশে নিবন্ধিত রয়েছে। এসব কম্পানি বাংলাদেশে স্থানীয় কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখছে। টেক্সটাইল সেক্টরে সহযোগিতার সুবিধার্থে ভারত-বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইন্ডাষ্ট্রি ফোরাম গঠিত হয়েছে। ৫০ জন তরুণ বাংলাদেশি উদ্যোক্তাকে ভারত সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণ আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করার জন্য পাঁচটি খাতে আমরা ফোকাস করতে চাই। সেগুলো হলো- বাণিজ্য, প্রযুক্তি, সংযোগ, উদ্যোক্তা, স্বাস্থ্য ও পর্যটন। ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সোনালী অধ্যায় লিখবে বলেও এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করার জন্য পাঁচটি খাতে আমরা ফোকাস করতে চাই। সেগুলো হলো- বাণিজ্য, প্রযুক্তি, সংযোগ, উদ্যোক্তা, স্বাস্থ্য ও পর্যটন। ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সোনালী অধ্যায় লিখবে বলেও এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।