প্রকৃতি ও পর্যটনের মধ্যে সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য: পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। ফাইল ছবি
Social Share

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, প্রকৃতি ও পর্যটনের মধ্যে সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।

প্রাকৃতিক পরিবেশের উন্নতির সাথে পর্যটনের উন্নয়ন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুজিববর্ষে সারাদেশে নানা-প্রজাতির গাছের ১ কোটি চারা রোপণের মধ্যদিয়ে ভরে-উঠবে সবুজ প্রকৃতি এবং সমৃদ্ধ হবে দেশের পর্যটন।

প্রতিমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরস্থ জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে জাতীয় সংসদ সচিবালয় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে গাছের চারা রোপণ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী’র “মুজিববর্ষ” উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশব্যাপি ১ কোটি বৃক্ষরোপণের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন চত্ত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মাহবুব আলী বলেন, বাংলাদেশে প্রথম বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর নির্দেশেই দেশের উপকুলীয় অঞ্চল ও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দৃষ্টিনন্দন ঝাউবন তৈরি করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে দেশের উন্নয়নের প্রতি নজর দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই অসমাপ্ত কাজ তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে।

সবুজ প্রকৃতি বাংলাদেশের পর্যটনের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘আমরা যত বেশি প্রকৃতির যত্ন নেব,পর্যটন কেন্দ্রগুলো ততো বেশি আকর্ষণীয় রূপে পর্যটকদের কাছে উপস্থাপিত হবে।’

প্রতিমন্ত্রী এ সময় জানান, প্রকৃতির ক্ষতি করে কোন ধরণের পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করা যাবে না। পর্যটন-স্থাপনা নির্মাণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সারাদেশে ১ কোটি গাছের চারা রোপণের ফলে আমাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলো আরো বেশি সবুজ ও মনোরম পরিবেশ তৈরি হবে’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী এ বছরের ১৬ জুলাই সারাদেশে ১ কোটি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরই অংশ হিসেবে সারাদেশে ১ কোটি ফলজ,বনজ ও ঔষধি বৃক্ষ-রোপণের কাজ চলছে। বাসস